স্বাস্থ্য দফতর এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। হাসপাতালকে সব প্রমাণ ও চিকিৎসা নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।

বাপু ও কামিনী
শেষ আপডেট: 25 August 2025 12:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুণের এক প্রাইভেট হাসপাতালে লিভার প্রতিস্থাপনের পর স্বামী-স্ত্রী দু’জনের মৃত্যু। স্বাস্থ্য দফতর তাঁদের মৃত্যুর কারণ জানতে হাসপাতালকে কর্তৃপক্ষকে নোটিস দিয়েছে। আজ সকাল ১০টার মধ্যে ট্রান্সপ্ল্যান্টের সমস্ত তথ্য, রোগী ও দাতার ভিডিও রেকর্ডিং এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত বিবরণ জমা দিতে বলা হয়েছে।
বাপু কমকার অসুস্থ ছিলেন বেশ কিছুদিন ধরে। লিভার প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন ছিল। লিভারের অংশ দিতে রাজি হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী কমিনী। ১৫ অগস্ট চিকিৎসকের পরামর্শে সার্জারি হয়। স্ত্রীর লিভারের অংশ বাপুর শরীরে বসানো হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরই স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে এবং ১৭ আগস্ট তিনি মারা যান।
অসুস্থতা বাড়তে থাকে তাঁর স্ত্রী কামিনীরও। এর কিছুদিন পর কামিনীও মারা যান।
পরিবারের অভিযোগ, এই দু’জনের মৃত্যুর পেছনে চিকিৎসায় ত্রুটি থাকতে পারে এবং তাঁরা তদন্ত দাবি জানান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্জারি সবরকম প্রোটোকল মেনে করা হয়েছে। বাপু কমকারের ঝুঁকি অনেকটা বেশি ছিল। শরীরে অন্যান্য জটিলতা ছিল। ফলে যা কিছু হতে পারত।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কামিনীর প্রাথমিক অবস্থা সার্জারি শেষে ভাল ছিল, কিন্তু পরে সেপটিক শক ও মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওরে যান।
বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ বলেছে, 'লিভিং ডোনার লিভার প্রতিস্থাপন এক জটিল প্রক্রিয়া। আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি এবং সর্বোচ্চ চিকিৎসার মান বজায় রেখে সাহায্য চালিয়ে যাচ্ছি।'
স্বাস্থ্য দফতর এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। হাসপাতালকে সব প্রমাণ ও চিকিৎসা নথি জমা দিতে বলা হয়েছে, যা থেকে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।