কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দুর্নীতি-বিরোধী লড়াইয়ের প্রসঙ্গে মোদী বলেন, যদি একজন অত্যন্ত নিচুতলার সরকারি কর্মী যেমন- কোনও কেরানিবাবু কিংবা পিওনও ৫০ ঘণ্টার বেশি পুলিশ হেফাজতে থাকেন, তাহলে তিনি সাসপেন্ড হয়ে যান।

এটা তো বিরাট ভুল, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেষ আপডেট: 22 August 2025 14:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারের গয়ায় এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লোকসভায় পাশ হওয়া পিএম-সিএম বিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী পদের সঙ্গে সরকারি অফিসের কেরানি-পিওনদের তুলনা টানেন। তাঁর এরকম মন্তব্যের অচ্যুত নিশানা ছিল, বিধানসভা ভোটের মুখে বিহারের প্রাক্তন শাসক জোট রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও সর্বোপরি কংগ্রেস। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দুর্নীতি-বিরোধী লড়াইয়ের প্রসঙ্গে মোদী বলেন, যদি একজন অত্যন্ত নিচুতলার সরকারি কর্মী যেমন- কোনও কেরানিবাবু কিংবা পিওনও ৫০ ঘণ্টার বেশি পুলিশ হেফাজতে থাকেন, তাহলে তিনি সাসপেন্ড হয়ে যান। কিন্তু, দেশের এই আইন এতদিন জেলে যাওয়া রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষেত্রে খাটত না। এটা তো বিরাট ভুল, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
মোদী দুর্নীতিমুক্ত স্বচ্ছ রাজধর্ম পালনের দৃষ্টান্ত টানতে বলেন, এতগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও আমাদের সরকারের গায়ে দুর্নীতির একটি কালির আঁচড়ও লাগেনি। দেশের মানুষ জানেন, ৬৫ বছর ধরে এদেশে কংগ্রেস কত দুর্নীতি করেছে। বিহারের বাচ্চা বাচ্চা জানে, কত দুর্নীতি করেছে আরজেডি। জেলে বসেও সরকারি ফাইলে সই হয়েছে। সরকারি নির্দেশ জারি হয়েছে গারদের অন্তরাল থেকে। যদি নেতাদেরই এরকম মনোভঙ্গি হয়, তাহলে কী করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলতে পারে, প্রশ্ন তোলেন মোদী।
এ কারণেই আমাদের এনডিএ সরকার এই আইন নিয়ে এসেছে। এই আইনে প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু, কংগ্রেস, আরজেডি এবং বাম দলগুলি এর বিরোধিতা করছে। আর কে না জানে, ওরা কীসের ভয় পাচ্ছে। আরজেডি এবং কংগ্রেসের কিছু নেতা জামিনে বাইরে আছেন আর কিছু আদালতে চরকি পাক খাচ্ছেন। এরা তারাই, যারা এই আইনের বিরোধিতা করছে। প্রধানমন্ত্রী আরও উদাহরণ দিয়ে বলেন, আমাদের রাজেন্দ্রবাবু (রাজেন্দ্র প্রসাদ) এবং বাবাসাহেব আম্বেদকর কি কোনওদিন ভাবতেও পারতেন যে, ক্ষমতালোভী এইসব মানুষগুলো জেলে বসেও ক্ষমতা ছাড়তে রাজি হবে না, বলেন প্রধানমন্ত্রী।