.webp)
শেষ আপডেট: 31 January 2024 23:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বুধবার রাতে হেমন্ত সরেনকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ইডি তাঁকে গ্রেফতার করার আগে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন হেমন্ত সরেন। তার পর রাজভবন থেকে বেরনোর পরই ইডি অফিসাররা তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি। হেমন্ত সরেনের দিল্লির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি ও নগদ ৩৬ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
হেমন্ত ইস্তফা দিতেই ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়করা মন্ত্রিসভার প্রবীণ মন্ত্রী চম্পাই সরেনকে বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত করেন। অর্থাৎ পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে চম্পাই সরেন শপথ নিতে চলেছেন।
কে এই চম্পাই সরেন? কেন তাঁকে ঝাড়খণ্ডের বাঘ বলা হয়?
হেমন্ত সরেন সরকারের প্রবীণ মন্ত্রী ছিলেন চম্পাই। তাঁর জন্ম সরাইকেলা-খরসাওয়ান জেলায়। গ্রামের নাম জিলিনগ্গোদা। সেখানে এক সাধারণ চাষী পরিবারে চম্পাই সরেনের জন্ম। বাবা হলেন সিমাল সরেন।
ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে ক্ষেতে কাজ করেছেন চম্পাই। পড়াশুনা ক্লাস টেন পর্যন্ত। তার পর খুব কম বয়সে বিয়েও হয়ে যায়। চার ছেলে তিন মেয়ে তাঁর।
নব্বইয়ের দশকে ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের সময়ে শিবু সরেনের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন চম্পাই। এই আন্দোলনে চম্পাইয়ের ভূমিকা এতটাই দাপুটে ও উগ্র ছিল যে তাঁকে ঝাড়খণ্ডের বাঘ বলা হয়। সরাইকেলায় বিধানসভার উপ নির্বাচনে জিতে রাজনীতিতে আসেন চম্পাই সরেন। তখন অবশ্য ছিলেন নির্দল বিধায়ক।
বিজেপির অর্জুন মুণ্ডা সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি। সে সময়ে টানা তিন বছর মন্ত্রী ছিলেন। তার পর ঝাড়খণ্ডে রাষ্ট্রপতি শাসন শুরু হয়।
রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসানের পর হেমন্ত সরেন সেখানে সরকার গঠন করেন। সেই সরকারের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন চম্পাই। বর্তমান মন্ত্রিসভায় তিনি অন্যতম সিনিয়র মন্ত্রী। খাদ্য ও গণ বন্টন এবং পরিবহণ দফতর ছিল তাঁর অধীনে। এবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন এই জনজাতি নেতা।