পুলিশ সূত্রে খবর, দশ বছর আগে বানপুরা গ্রামের বাসিন্দা বান্টি কুমারের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সঙ্গীতার। তাঁদের দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। মৃতার মায়ের অভিযোগ, বিয়ের প্রথম একটা বছর ভালই কেটেছিল।
_0.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 15 June 2025 10:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পণের দাবিতে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের হাতে নৃশংস নির্যাতনের শিকার উত্তরপ্রদেশের গৃহবধূ (Uttar Pradesh Woman Death over dowry demands)। পরিণতি মৃত্যু। এই ঘটনায় যে ভিডিও সামনে এসেছে তা দেখে আঁতকে উঠছেন সকলেই। মৃতার শরীরে একাধিক গভীর ক্ষতচিহ্ন, এমনকি যৌনাঙ্গেও পোড়া দাগ। নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে পুলিশ (Police Investigation)।
পুলিশ সূত্রে খবর, দশ বছর আগে বানপুরা গ্রামের বাসিন্দা বান্টি কুমারের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সঙ্গীতার। তাঁদের দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। মৃতার মায়ের অভিযোগ, বিয়ের প্রথম একটা বছর ভালই কেটেছিল। এরপরই বান্টি ও তাঁর পরিবার দাবি তোলে, সঙ্গীতার বাপের বাড়ি থেকে যেন একটি বুলেট মোটরবাইক এবং একটি মহিষ দেওয়া হয় (Dowry Demands)। এই দাবি পূরণ না হলে তাকে খুন করে ফেলার হুমকি দেওয়া হত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার অর্থাৎ ঘটনার দিন বান্টি, শ্বশুর-শাশুড়ি ও দুই ননদ সঙ্গীতার হাত-পা বেঁধে তাঁর উপর নির্মমভাবে মারধর করে। শুধু তাই নয়, শরীরের বিভিন্ন অংশে গরম আয়রনের ছ্যাকা দেওয়া হয়। এমনকী যৌনাঙ্গের কাছেও! পুলিশের প্রাথমিক অনুমান,
এই ভয়ঙ্কর নির্যাতনের কারণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সঙ্গীতার (Uttar Pradesh Woman Death)।
খবর পেয়ে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে প্রাথমিক রিপোর্টে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি, তাই সঙ্গীতার দেহ থেকে ভিসেরা নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলেই খবর।
অভিযুক্ত স্বামী বান্টি, তার বাবা-মা ও দুই বোনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা (FIR) রুজু করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে এবং তাদের বাড়িতে তালা ঝুলছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। পলাতকদের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।