Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

রাজ্যসভার আসন নিয়ে তীব্র রোষ, কাশ্মীরে জোট ভাঙার চিন্তা-ভাবনা কংগ্রেসের

বর্তমানে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার (J&K Assembly) মোট সদস্য সংখ্যা ৮৮। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ৪৫ জন বিধায়কের সমর্থন। এনসি-র হাতে ৪১ জন বিধায়ক রয়েছেন।

রাজ্যসভার আসন নিয়ে তীব্র রোষ, কাশ্মীরে জোট ভাঙার চিন্তা-ভাবনা কংগ্রেসের

ওমর আবদুল্লা

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 13 October 2025 19:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) রাজ্যসভা আসন নিয়ে তীব্র মতবিরোধের জেরে ন্যাশনাল কনফারেন্স (NC)-কংগ্রেস জোটে ফাটল ধরেছে। সূত্রের খবর, কংগ্রেস এখন গুরুত্ব সহকারে ভাবছে ন্যাশনাল কনফারেন্সের (National Conference) সঙ্গে জোট থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টি। যদিও আপাতত ওমর আবদুল্লার সরকারে (Omar Abdullah) তেমন কোনও তাৎক্ষণিক সংকট তৈরি হয়নি।

বর্তমানে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার (J&K Assembly) মোট সদস্য সংখ্যা ৮৮। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ৪৫ জন বিধায়কের সমর্থন। এনসি-র হাতে ৪১ জন বিধায়ক রয়েছেন। সঙ্গে রয়েছেন পাঁচ জন নির্দল বা সহযোগী সদস্য এবং এক জন সিপিএম বিধায়ক। ফলে কংগ্রেস (৬ আসন) জোট থেকে বেরিয়ে গেলেও সরকারের সংখ্যা-সংকট হবে না।

তবে রাজনৈতিকভাবে বড় অস্বস্তিতে রয়েছে জোট। রাজ্যসভা আসন ভাগাভাগি নিয়েই অশান্তির সূচনা। অভিযোগ, এক ‘নিরাপদ আসন’ কংগ্রেসকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও পিছিয়ে গিয়েছে এনসি। ফলে কংগ্রেস রাজ্যসভা নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

জম্মু-কাশ্মীর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তারিক হামিদ কারা এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “ফারুক আবদুল্লা সোনিয়া গান্ধীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কংগ্রেসকে এক নিরাপদ আসন দেবেন। কিন্তু পরে এনসি একতরফা ভাবে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করে। এতে আস্থা ভঙ্গ হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “জোট সরকারের কাজের ধরণ নিয়েও আমাদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ আছে। কোনও সমন্বয় কমিটি নেই, সিদ্ধান্ত একতরফা ভাবে নেওয়া হচ্ছে। সব নেতাই চাইছেন, আমরা এই জোট থেকে বেরিয়ে আসি।”

প্রসঙ্গত, রাজ্যসভায় জম্মু-কাশ্মীরের চারটি আসনের মধ্যে এনসি-র শক্তি অনুযায়ী তিনটি আসন প্রায় নিশ্চিত। বাকি একটি আসন নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে লড়াই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কংগ্রেস সরে দাঁড়াতেই এনসি চারটি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে।

ফারুক আবদুল্লার সঙ্গে সনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বৈঠকের পরও কোনও সমঝোতা হয়নি। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, এনসি তাদের ‘চতুর্থ আসন’ দিয়েছে, যা একেবারেই নিরাপদ ছিল না। তাই দল ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রার্থী না তোলার সিদ্ধান্ত নেয়।

এনসি অবশ্য বলছে, “আমরা কংগ্রেসকে এক আসন দিয়েছিলাম, মনে করেছিলাম তারা জিততে পারবে। কিন্তু তারা লড়াইয়ে নামল না। তাই আমরা নিজেদের প্রার্থী দিচ্ছি।” ওমর আবদুল্লার বক্তব্য, “এটাই হবে প্রকৃত পরীক্ষা, কে বিজেপির পাশে দাঁড়ায়, আর কে নয়।”

তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “বিজেপি একটিও আসন জিততে পারবে না ঘোড়াবেচা ছাড়া। তাদের কাছে ২৮টি ভোট আছে, জয়ের জন্য চাই ৪০। বাইরের সমর্থন তাদের নেই। তাই টাকার ও প্রভাবের জোরেই ভোট কিনতে হবে।”


```