পুলিশের তরফে জানানো হয়, 'অভিযোগকারী অভিযোগ করেছেন তাঁর স্বামী একজন ট্রান্সজেন্ডার। তিনি পুরুষদের নিজেদের বাড়িতে ডাকতেন, পর্ন ভিডিও শুট করতেন, সেগুলি ইন্টারনেটে (Internet) আপলোড করতেন।'
.jpg.webp)
উত্তরপ্রদেশের ঘটনায় চাঞ্চল্য
শেষ আপডেট: 24 May 2025 20:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লম্বা চুল, কানে ভারী দুল, মেকআপ করা মুখ ঢাকা মাস্ক দিয়ে, মেয়েদের মতো সাজে উত্তরপ্রদেশের সরকারি চিকিৎসকের ছবি ভাইরাল (Up Docotr's Crossdressing Pics Viral) হতেই তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তাঁর স্ত্রীর অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে তাঁর স্বামী পর্ন ভিডিও বানান। যদিও ওই ব্যক্তির দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ আনা হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে। যেখানে দাবি করা হচ্ছে, অভিযুক্ত চিকিৎসক বরুনেশ দুবেকে নারী পোশাক ও সাজে দেখা গিয়েছে (সেইসমস্ত ভিডিও-ছবির সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল)। তাঁর স্ত্রী সিম্পি পাণ্ডের অভিযোগ, কয়েক বছর আগে বরুনেশের সঙ্গে প্রেম করেই বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই তিনি স্বামীর মধ্যে অদ্ভুত আচরণ লক্ষ্য করেন। তিনি দাবি করেন, পর্ন ভিডিও তৈরি করার জন্য গোরক্ষপুরের বাড়ি ছেড়ে সরকারি চাকরিসূত্রে পাওয়া বাড়িতে একা থাকছিলেন। ভিডিওগুলি অনলাইনে বিক্রি করে মোটা টাকা আয় করতেন বরুনেশ।
সিম্পি আরও জানান, 'আমি একটি ওয়েবসাইটে (Paid Website) একাধিক ভিডিও দেখতে পাই। স্বামীর কর্মকাণ্ড ধরতে আমি টাকা দিয়েই ওয়েবসাইটের সাবস্ক্রিপশন (Subscription) নিই। এনিয়ে আমার স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি আমার ও আমার ভাইয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। গায়ে হাত পর্যন্ত তোলেন।'
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসকের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। অ্যাডিশনাল সুপারিনটেনডেন্ট সুশীল কুমার সিং জানিয়েছেন, 'অভিযোগকারী অভিযোগ করেছেন তাঁর স্বামী একজন ট্রান্সজেন্ডার। তিনি পুরুষদের নিজেদের বাড়িতে ডাকতেন, পর্ন ভিডিও শুট করতেন, সেগুলি ইন্টারনেটে (Internet) আপলোড করতেন।'
অন্যদিকে, একটি ভিডিও বার্তায় বরুনেশ নিজের সাফাই দিয়ে বলেন, 'একে অপরকে ভালবেসে বিয়ে করেছিলাম। কিন্তু শুরু থেকেই সম্পত্তি হাতানোই একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল স্ত্রী সিম্পির। সম্পত্তির জেরে অনেক মাস ধরেই স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি চলছে। সে একজন 'লুটেরি দুলহান'। আমার বৃদ্ধ বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত। আমাদের সন্তানকে বারান্দা থেকে নিচে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিল। ওর অত্যাচারের কারণেই বাবার মৃত্যু হয়েছে। তারপর থেকে বাড়ির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।'
সম্পত্তি হাতাতে তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার ষড়যন্ত্রও করেছিলেন সিম্পি, যাতে একদিন তিনি নিজে থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন, অভিযোগ ছিল বরুনেশের। যোগ করেন, 'এত সহজে আমি মরব না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব'। ডেপুটি চিফ মেডিক্যাল অফিসার মহেন্দ্র প্রসাদ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।