জরুরি অবস্থা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনার কড়া জবাব দিল কংগ্রেস।

শেষ আপডেট: 25 June 2025 11:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জরুরি অবস্থা (emergency) নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi) সমালোচনার কড়া জবাব দিল কংগ্রেস (Congress)। ইন্দিরা গান্ধীর (Indira Gandhi) পার্টির পাল্টা অভিযোগ তুলেছে নরেন্দ্র মোদীর শাসনাধীন বিগত ১১ বছর যাবত দেশে অযোঘিত জরুরি (undeclared emergency) অবস্থা চলছে।
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ (Congress general secretary Jairam Ramesh) এক্স হ্যান্ডেলে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দলের দীর্ঘ বক্তব্য পোস্ট করেছেন। সাত সকালেই জরুরি অবস্থা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে নিশানা করেন। জরুরি অবস্থার দিনগুলিকে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কালো অধ্যায় বলে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, জরুরি অবস্থার দিনগুলিতে কংগ্রেস সরকার গণতন্ত্রকেই কারারুদ্ধ করেছিল।
মোদীই এই সমালোচনার জবাবে কংগ্রেস বলেছে, কংগ্রেস নেত্রী তথা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সরকারি নির্দেশিকা জারি প্রকাশ করে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন। দেশবাসীর কাছে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন কোন পরিস্থিতিতে কঠোর পদক্ষেপ করতে হয়েছি। কিন্তু নরেন্দ্র মোদীর সরকারের বিগত ১১ বছরে দেশে অঘোষিত জরুরি অবস্থা বিরাজ করছে। গণতান্ত্রিক অধিকার, নাগরিক অধিকার বিপন্ন।
বুধবার জরুরি অবস্থার ৫০ তম বর্ষকে সামনে রেখে সকাল থেকেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছেন বিজেপি নেতারা। মঙ্গলবার রাতেই হাত শিবিরকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, কংগ্রেসের বারে বারে জরুরি অবস্থার অপশাসনের দিনগুলি স্মরণ করা উচিত। এরপর মোদীর পাশাপাশি বিজেপি শীর্ষ নেতা তথা প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, দলের সভাপতি জেপি নাড্ডা কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন।
রমেশ পাল্টা বলেন, ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির চারশো পারের স্বপ্ন বানচাল হয়েছে। পদ্ম শিবির আশা করেছিল চারশোর বেশি আসনে জিতে সংবিধান বদলে দেবে। তাদের সেই আশা পূরণ হয়নি। কংগ্রেস নেতার কথায়, বিজেপি চারশো পারের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিল গণতন্ত্রকে হত্যার উদ্দেশে।
রমেশের কথায়, মোদীর শাসনে সংসদের কোনও গুরুত্ব নেই। গণতন্ত্র বিরোধী আইন পাশ করা হচ্ছে আলোচনা, বিতর্ক ছাড়াই। বিরোধী সাংসদেরা জনস্বার্থে কোনও ইস্যু উত্থাপন করলে তাঁদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। কংগ্রেসের আরও অভিযোগ, বিজেপি সমস্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে। কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক বিপন্ন। কংগ্রেসের অভিযোগ, মোদীর শাসনে মিডিয়ার কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।