শুধু ভারত নয়, এই কমবয়সি কূটনীতিক আপতত পাকিস্তান ও বাংলাদেশেরও রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব সামলাবেন। ওই দুই দেশে অস্থায়ী রাষ্ট্রদূত অর্থাৎ চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।

ছবি-সংগৃহীত।
শেষ আপডেট: 23 August 2025 08:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হোয়াইট হাউসে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছায়া সঙ্গী বলে পরিচিত। মার্কিন প্রেসিডেন্টর দায়িত্বে থাকা কর্মী-আধিকারিকদের অধিকর্তার পদ সামলাচ্ছেন সার্জিও গর। ৩৯ বছর বয়সি এই ব্যক্তিগত আধিকারিককে ভারতে আমেরিকার নতুন রাষ্ট্রদূত বাছলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতীয় সময় শনিবার ভোরে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তারপরই বলাবলি শুরু হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের অর্থ ট্রাম্প নিজেই ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসাবে নয়াদিল্লিতে যাচ্ছেন। কেউ বলছেন, হোয়াইট হাউসে তাঁর 'পুতুল'-কে ভারতের রাষ্ট্রদূত করে পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প। স্বভাবতই একই সঙ্গে চর্চা শুরু হয়েছে, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তের পিছনে আসল উদ্দেশ্য কী।
শুধু ভারত নয়, এই কমবয়সি কূটনীতিক আপতত পাকিস্তান ও বাংলাদেশেরও রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব সামলাবেন। ওই দুই দেশে অস্থায়ী রাষ্ট্রদূত অর্থাৎ চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে যখন ভারত-মার্কিন সম্পর্ক অনেকটাই তলানিতে তখন হোয়াইট হাউসে কার্যত তাঁর এক ব্যক্তিগত সহকারীকে উপমহাদেশের তিন গুরুত্বপূর্ণ দেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব অর্পণকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছে কূটনৈতিক মহল। এই তিন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কও এখন তলানিতে ঠেকেছে।
সার্জিও গরের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা একাধিক কারণের মধ্যে দুটি হল, গত বছর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে গোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দ্বিতীয় কারণ হল, ট্রাম্পের সমৃদ্ধ আমেরিকা প্রচারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন হোয়াইট হাউসের এই আধিকারিক।
সার্জিও গোর জন্মসূত্রে উজবেক। উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে জন্ম। তার পুরো নাম সার্জিও গরকোভস্কি। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাঙনের পর ছয় বছর বয়সি গোরকে নিয়ে তাঁর বাবা-মা আমেরিকায় পাড়ি দেন।
গরকে ভারতের মতো বিশাল এবং দক্ষিণ এশিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশের রাষ্ট্রদূত বাছাই করা নিয়ে অনেকেই বিস্মিত। বৈদেশিক সম্পর্কের বিষয়ে এই অঞ্চলের সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে। মার্কিন স্কলারশিপ বিভাগের দায়িত্ব সামলানোর সময়ে যতটুকু ধারণা হয়েছে। তাকে অভিজ্ঞতা বলা চলে না।