Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ট্রাম্প-মোদীর ‘কেমিস্ট্রিতেই’ বাণিজ্য-জট কেটেছে, গোপন কথাটি গোপন রাখলেন না মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মাত্র দু’মাস আগে ভারতে পা রাখা গোরের দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নরেন্দ্র মোদী— এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানই আসলে ছিলেন আসল ‘ডিলমেকার’।

ট্রাম্প-মোদীর ‘কেমিস্ট্রিতেই’ বাণিজ্য-জট কেটেছে, গোপন কথাটি গোপন রাখলেন না মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নরেন্দ্র মোদী ও ডোনাল্ড ট্রাম্প

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 13 March 2026 13:01

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে শেষ কথা যে ব্যক্তিগত সমীকরণ, তা আরও একবার প্রমাণিত হল ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে। ওয়াশিংটন এবং দিল্লির দীর্ঘ টালবাহানা আর শীতল সম্পর্কের বরফ গলেছে মূলত নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) ‘গভীর রসায়নে’র জোরেই। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে এই গোপন কথাটিই ফাঁস করলেন ভারতে নিযুক্ত আমেরিকার নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর (Sergio Gor)।

মাত্র দু’মাস আগে ভারতে পা রাখা গোরের দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নরেন্দ্র মোদী— এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানই আসলে ছিলেন আসল ‘ডিলমেকার’। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সরিয়ে তাঁদের ব্যক্তিগত বন্ধুত্বই শেষ পর্যন্ত এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিকে (trade deal) সাফল্যের মুখ দেখিয়েছে।

তিক্ততা সরিয়ে মধুর মিলন

অথচ মাস কয়েক আগের চিত্রটা ছিল একেবারেই ভিন্ন। রুশ তেল কেনা নিয়ে দিল্লির ওপর চরম খড়্গহস্ত ছিলেন ট্রাম্প। ভারতকে ‘ডেড ইকোনমি’ বা মৃত অর্থনীতি বলতেও ছাড়েননি তিনি। ভারতীয় পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৫০ শতাংশ। সেই তিক্ততা কাটিয়েই গত মাসে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে শুল্ক কমিয়ে আনা হয়েছে ১৮ শতাংশে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কথায়, “ট্রাম্প যখন হোয়াইট হাউসে ছিলেন না, তখনও তাঁর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন মোদী। এই অমলিন বন্ধুত্বকেই ট্রাম্প সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।” তাঁর মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের চুক্তি হতে যেখানে কয়েক দশক লেগেছে, সেখানে মোদী-ট্রাম্পের ব্যক্তিগত উদ্যোগের ফলে মাত্র এক বছরেই আমেরিকার সঙ্গে এই জটিল রফা চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প দ্বিতীয় বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরেই বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে কথা শুরু করেছিল নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটন। তার পর অবশ্য দীর্ঘ দিন নানা কারণে এই চুক্তির বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছয়নি দু’পক্ষ। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যসমঝোতার কথা ঘোষণা করেন। ভারতীয় পণ্যে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে বলে জানান তিনি। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অন্তর্বর্তী বাণিজ্য-সমঝোতাই পূর্ণমাত্রার বাণিজ্য-সমঝোতার কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


```