Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

জাতীয় নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী লাদাখের পরিবেশ কর্মী সোনমকে আটক করা নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জানতে চায়, কেন তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে ওয়াংমোকে আগাম নোটিস দেওয়া হয়নি, এবং কেন তাঁকে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

জাতীয় নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী লাদাখের পরিবেশ কর্মী সোনমকে আটক করা নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

সোনম ওয়াংচুক

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 6 October 2025 12:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জাতীয় নিরাপত্তা আইন (NSA) অনুযায়ী লাদাখের (Ladakh) পরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুককে (Sonam Wangchuk) আটক করার ঘটনায় কেন্দ্রকে (Centre) প্রশ্ন করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জানতে চায়, কেন তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে ওয়াংমোকে আগাম নোটিস দেওয়া হয়নি, এবং কেন তাঁকে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

আগামী ১৪ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে। বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ও এন. ভি. আঞ্জারিয়া-র বেঞ্চ কেন্দ্র, জম্মু-কাশ্মীর এবং রাজস্থান সরকারের উদ্দেশে নোটিস জারি করেছে, গীতাঞ্জলি ওয়াংমোর দায়ের করা এক হেবিয়াস কর্পাস মামলার প্রেক্ষিতে।

গীতাঞ্জলি আদালতে জানিয়েছেন, ২৬ সেপ্টেম্বর ওয়াংচুককে গ্রেফতার করার পর থেকে তাঁকে একবারও দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, গ্রেফতারির কারণ সম্পর্কেও পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি। এই আটককে তিনি সংবিধানের ২২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অবৈধ বলেছেন।

আদালতে কপিল সিব্বল গীতাঞ্জলির পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁর যুক্তি, “ডিটেনশন নোটিসের কপি না পেলে আটক করার আদেশকে চ্যালেঞ্জ করা সম্ভব নয়।” অন্য দিকে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, আটক করার  কারণ ইতিমধ্যেই ওয়াংচুককে জানানো হয়েছে এবং তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগও দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু সিব্বলের বক্তব্য, পরিবার কোনও নথি পায়নি, এবং তাঁরা কেবল ইন্টারকমের মাধ্যমে কথা বলতে পেরেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ডিটেনশনের কারণ না জানলে উপযুক্তভাবে প্রতিরক্ষা পেশ করা যায় না।”

এই পর্যায়ে আদালত বলে, “ডিটেনশনের কারণ পরিবারের সদস্যদের জানানো বাধ্যতামূলক। স্ত্রীর কাছ থেকে কেন সেটা গোপন রাখা হবে? তাঁকেও কপি দিন।” তবে আদালত জানিয়েছে, আপাতত কোনও নির্দেশ জারি করা হবে না।

এছাড়া, আদালত নির্দেশ দিয়েছে যাতে ওয়াংচুকের প্রয়োজনীয় ওষুধ, পোশাক ও চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হয়। জানা গিয়েছে, তাঁকে গ্রেফতারের সময় ব্যক্তিগত সামগ্রী সঙ্গে নিতে দেওয়া হয়নি এবং তিনি তখন না খাওয়া ছিলেন।

গীতাঞ্জলি আদালতকে জানান, গত সপ্তাহে তিনি যোধপুর জেলে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু অনুমতি পাননি। জবাবে সলিসিটার জেনারেল বলেন, “এটা সবই এক ধরনের ‘মিডিয়া হাইপ’। ওঁকে ওষুধ বা স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা থেকে কেউ বঞ্চিত করছে না।”

বেঞ্চ সতর্ক করে বলে, “দয়া করে আবেগপ্রবণ যুক্তি দেবেন না।” আদালত জানতে চায়, কেন আবেদনকারী হাইকোর্টে যাননি। সিব্বলের জবাব, “কোন হাইকোর্টে যাব? আটকের নির্দেশ জারি করেছে কেন্দ্র নিজেই।”

সব পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জানিয়েছে, এই মুহূর্তে কোনও পর্যবেক্ষণ করা হবে না। আগামী ১৪ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি হবে।


```