সিইও দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলায় এক কোটির বেশি ভোটারের অসঙ্গতি রয়েছে। এরা কারা, মূলত এই প্রশ্নের উত্তর পেতেই দিল্লিতে গেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 31 December 2025 12:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের এসআইআর (SIR in West Bengal) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ECI) ওপর ক্রমাগত ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। খসড়া তালিকা প্রকাশের (Draft Voter List) পর যখন বহু নাম বাদ গেছে তারপর সেই ক্ষোভ আরও বাড়ে। সাংবাদিক বৈঠক করে এই ইস্যুতে কমিশনের উদ্দেশে বড় প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisekh Banerjee)। সেই সময়ই জানিয়েছিলেন, দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। বুধবার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কমিশনের অফিসে পৌঁছেছেন অভিষেক।
১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল (Delegation) এদিন নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক করবে। অভিষেক ছাড়াও তৃণমূলের এই প্রতিনিধি দলে থাকছেন তৃণমূলের সংসদীয় দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন, লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যসভায় দলের মুখ্য সচেতক (চিফ হুইপ) নাদিমুল হক-সহ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরের একাধিক শীর্ষ নেতা। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং মানস ভুঁইয়া। পাশাপাশি থাকছেন রাজ্যসভার সাংসদ মমতা ঠাকুর, সাকেত গোখলে এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
সিইও দফতরের (CEO Office) রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলায় এক কোটির বেশি ভোটারের অসঙ্গতি রয়েছে। এরা কারা, মূলত এই প্রশ্নের উত্তর পেতেই দিল্লিতে গেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, যদি সত্যিই ১ কোটির বেশি ভোটারের নামে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিমেন্সি’ বা বাতিলের তালিকা থাকে, তা হলে সেই তালিকা জনসমক্ষে আনুক কমিশন। একই ভাবে, যদি এক কোটি রোহিঙ্গা বা বাংলাদেশি থাকার দাবি করা হয়, তারও নথি প্রকাশ করতে হবে।
বস্তুত, গত নভেম্বর মাসে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল (TMC Delegation)। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁরা জানিয়েছিল, কমিশনকে যা প্রশ্ন করা হয়েছে তার কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। যদিও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, তারা প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এই ঘটনার ফের এসআইআর ইস্যুতে দিল্লি উত্তপ্ত হতে পারে।
এর বড় কারণ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এবারও কমিশনের থেকে উত্তর না পেলে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও হবে।