Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
জিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে!কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ড

এল নিনো বিদায় নিলেও গরমে পুড়বে দেশ, এবছর তাপপ্রবাহের আশঙ্কায় আবহবিদেরা

চলতি বছর স্বাভাবিকের থেকে তাপমাত্রা বেশি থাকবে, এমনই মনে করছেন আবহবিদেরা।

এল নিনো বিদায় নিলেও গরমে পুড়বে দেশ, এবছর তাপপ্রবাহের আশঙ্কায় আবহবিদেরা

শেষ আপডেট: 27 March 2024 07:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  গ্রীষ্মকাল পড়লেই ‘এল নিনো’র দাপটে ভুগবে গোটা দেশ। মার্চের শুরু থেকেই সেই পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছিল মৌসম ভবন। বেশ কয়েকদিন আগে পাখা চালানোর মরশুম শুরু হয়ে গিয়েছে। আর চলতি বছর স্বাভাবিকের থেকে তাপমাত্রা বেশি থাকবে, এমনই মনে করছেন আবহবিদেরা।

সম্প্রতি ২০২৩ সালকে ‘উষ্ণতম বর্ষ’-এর তকমা দিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লুএমও)। এর আগে উষ্ণতম বছর বলা হয়েছিল ২০১৬ সালকে। একইসঙ্গে ডব্লুএমও লাল সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, চলতি বছরে আরও গরম বাড়বে।

আবহাওয়াবিদরা মনে করেন, ২০২৩ সালে বিশ্বের উষ্ণতা বেশি হওয়ার পিছনে এল নিনোর প্রভাব ছিল। যা সক্রিয় ছিল ২০১৬-তেও। যদিও ধীরে ধীরে এল নিনোর বিদায়েরও ইঙ্গিত মিলেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, মে মাস নাগাদ এল নিনোর জায়গায় ‘নিউট্রাল ইএসএনওপরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে পরবর্তী দু’-তিন মাসের মধ্যে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। 

প্রশান্ত মহাসাগরে জলের উষ্ণতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে এল নিনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভারত সহ বিশ্বের একটা বড় অংশ জুড়ে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে বৃষ্টিপাতও কমে। গতবছর দেশে বর্ষার মরশুম শুরু হওয়ার পর এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়। যার ফলে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হয়। সেক্ষেত্রে লা নিনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পরেও বিশ্বের উষ্ণতা বাড়ার প্রবণতা বজায় থাকে কি না, সেদিকে বিশেষজ্ঞদের নজর থাকবে। 

আবহাওয়া অফিসের মতে, চলতি বছরে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকছেই। আগামী দিনে বিশ্বের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। কয়লা, জ্বালানি তেল ইত্যাদির ব্যবহার বাড়ার ফলে গ্রিন হাউস গ্যাসবেশি পরিমাণে বায়ুমণ্ডলে ঢুকছে। যা বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ বলেই মনে করেন আবহবিদেরা। আগামী দিনে বাড়বে পৃথিবীর ভূমি ও জলের উষ্ণতা। মেরু অঞ্চলের বরফ আরও গলতে শুরু করবে। স্বভাবিকভাবেই বাড়বে সমুদ্র ও নদীর জলস্তর। আর এই যাবতীয় কারণেই লাল সতর্কতা জারি করেছে ডব্লুএমও।


```