সতর্কতার পেছনে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে (Islamabad) একটি মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাকে কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন।

পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লশকর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) আইইডি হামলার ছক কষেছে।
শেষ আপডেট: 21 February 2026 11:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় হাই অ্যালার্ট জারি করেছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর, লালকেল্লা সংলগ্ন এলাকা এবং চাঁদনি চকের ভিড়ভাট্টা বাজার, এমনকী একটি বিখ্যাত মন্দিরও সম্ভাব্য টার্গেট হতে পারে। গোয়েন্দা সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লশকর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) আইইডি হামলার ছক কষেছে। সংস্থাগুলির দাবি, ভারতে বড়সড় নাশকতার চেষ্টা হতে পারে। এমন আশঙ্কায় রাজধানী জুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান, মিশ্র ধর্মীয় এলাকা এবং জনবহুল বাজারে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এই সতর্কতার পেছনে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে (Islamabad) একটি মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাকে কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন। সূত্রের দাবি, ওই ঘটনার জেরে প্রতিশোধমূলক হামলার পরিকল্পনা করতে পারে জঙ্গিগোষ্ঠীটি।
এই সতর্কতা এসেছে গতবছর ১০ নভেম্বর লালকেল্লার (Red Fort) কাছে ভয়াবহ গাড়িবোমা বিস্ফোরণের তিন মাসের মধ্যেই। ওই ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন অন্তত ২৪ জন। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি ফেটে একাধিক যানবাহনে আগুন ধরে যায়। ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক উমর মহম্মদ ওরফে উমর উন নবী। একই দিনে রাজধানী থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার ফরিদাবাদে ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক— অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-সহ উদ্ধার হয়।
তদন্তকারীরা মডিউলের দুই মূল সদস্য ডা. মুজাম্মিল শাকিল ও ডা. আদিল রাঠেরকে গ্রেপ্তার করার পরই উমর মহম্মদ আতঙ্কিত হয়ে লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণ ঘটান বলে অভিযোগ। বর্তমানে দিল্লিজুড়ে কড়া নজরদারি চলছে। নিরাপত্তা বাহিনী জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে, তবে অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোরও আবেদন জানিয়েছে।