গত ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী কলেজের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে (Delhi Road accident)। সাহিলকে ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়।

দিল্লিতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু যুবকের
শেষ আপডেট: 17 February 2026 17:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির দ্বারকায় ২৩ বছরের সাহিল ধানেশরার (Sahil Dhaneshra) মৃত্যু হয়েছে পথ দুর্ঘটনায় (Delhi Hit and Run)। যে গাড়িটি দ্রুত গতিতে এসে সাহিলের বাইকে ধাক্কা মেরেছিল, তার চালকের আসনে বসেছিল একজন নাবালক। দুর্ঘটনার পর (speeding SUV hitting Delhi man) সাহায্য চাইলেও জখম যুবকের কথায় কর্ণপাত করেনি কেউ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এমনকি ২ ঘণ্টা রাস্তায় পড়েছিল দেহ। এবার অভিযুক্ত নাবালকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন মৃতের মা। তাঁর দাবি, সে গাড়ি চালাতে চালাতেই রিলস বানাচ্ছিল (teen driver was making reel)। ভিডিও করছিল পাশের আসনে বসে থাকা তার বোন। যদিও পুলিশ বলছে, এটি সাধারণ একটি ভিডিও, যার সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাহিলের মা একটি ভিডিও শেয়ার করে অভিযোগ করেছেন, ১৭ বছরের অভিযুক্ত কিশোর বোনকে সঙ্গে নিয়ে তার বাবার গাড়ি রাস্তায় বের করেছিল শুধু রিলস (Reels) বানানোর জন্যই (minor driving SUV)। সেই সময়েই ঘটে যায় দুর্ঘটনা (Delhi SUV crash)।
ভিডিওতে দেখা গেছে, সরু রাস্তায় দু’পাশে গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। কিশোরটি দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছে, তার বোন ভিডিও তুলছে। ভিডিওতে একটি হলুদ বাসকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত ধরা পড়ে (SUV encounters a bike)। ঠিক পরেই উল্টো দিক থেকে আসা সাহিলের বাইকের সঙ্গে স্করপিওটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী কলেজের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে (Delhi Road accident)। সাহিলকে ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়। ধাক্কার তীব্রতায় পাশে থাকা একটি বাস, একটি পার্ক করা গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এক ট্যাক্সিচালক আহত হন। তাঁকে আইজিআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর কিশোরটিকে আটক করে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে (Juvenile Justice Board) পাঠানো হয়। পরে বোর্ড পরীক্ষার জন্য তাকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় আদালত। ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গেছে, সাহিলের মাথায় মারাত্মক আঘাত লাগায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে পুলিশ প্রথম অভিযুক্ত চালককে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে পুলিশ প্রথমে মামলা করলেও পরিবারের তরফে দেওয়া যাবতীয় নথি থেকে প্রমাণ হয় সে নাবালক। এরপর কিশোরের বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে চার্জশিটে বাবার নাম উল্লেখ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।