পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে দেব। শুক্রবার সাফসুতরো ভাষায় ইসলামাবাদকে এই সতর্কবার্তা দিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

ভারতীয় সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী।
শেষ আপডেট: 3 October 2025 16:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অপারেশন সিঁদুরের প্রথম পর্বে ভারত সংযম দেখিয়েছে। এরপর আর সংযম দেখাব না। পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে দেব। শুক্রবার সাফসুতরো ভাষায় ইসলামাবাদকে এই সতর্কবার্তা দিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। পড়শি দেশ যদি রাষ্ট্রের মদতে জঙ্গিপনা বন্ধ না করে, তাহলে প্রথম অপারেশন সিঁদুরের মতো ভবিষ্যতে আর সংযত থাকবে না ভারত, বলেন দ্বিবেদী। রাজস্থানের অনুপগড়ে একটি সেনা ছাউনিতে এদিন এসেছিলেন দ্বিবেদী। সেখানে স্পষ্টতই পাকিস্তান সীমানা ডিঙিয়ে ভারতে জঙ্গি পাচার না থামালে, দ্বিতীয়বার অপারেশন সিঁদুরের আভাস দিয়ে রাখলেন সেনাপ্রধান।
পাকিস্তানকে ছিঁড়ে ফেলার সতর্কতা দিয়ে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন যে, এখনই সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম থামান। সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ করুন। অথবা ভূগোলে আপনাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। যদি পাকিস্তান মানচিত্রে নিজেদের নাম থাকাটা জরুরি মনে করে, তাহলে রাষ্ট্রের মদতে সন্ত্রাসবাদকে ঠেকান।
এই প্রসঙ্গেই দ্বিতীয়বার জঙ্গি নিকেশ অভিযানের আভাস দিয়ে দ্বিবেদী বলেন, অপারেশন সিঁদুর প্রথম পর্বে আমরা সংযম দেখিয়েছিলাম। কিন্তু এবার সেই সংযম আর দেখাব না। এবার আমরা এমন কিছু করব যাতে ভূগোল বইতে আর ওদের নাম থাকবে কিনা, তা নিয়ে ভাবতে হবে ইসলামাবাদকে। যদি পাকিস্তান মানচিত্রে থাকতে চায়, তাহলে এই মুহূর্তে যেন জঙ্গিপনায় মদত জোগানো বন্ধ করে। আরও আভাস দিয়ে জওয়ানদের উদ্দেশে দ্বিবেদী বলেন আপনারা তৈরি থাকুন। যদি ভগবান সদয় হন, তাহলে খুব শীঘ্রই আপনারা সেই সুযোগ পাবেন।
এর আগে এদিনই এয়ার ফোর্স ডে-র অনুষ্ঠানে এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং (Air Chief Marshal Amar Preet Singh) বলেন, গত মে মাসে চলা অভিযানে পাকিস্তানের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান (F-16 এবং JF-17) ধ্বংস করেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী (Indian Army)। যদিও পাকিস্তানের দাবি যে, তারা নাকি ১৫টি ভারতীয় বিমান ধ্বংস করেছে। এই বিষয়টিকে একেবারে ঠাট্টার ছলে উড়িয়ে দেন তিনি। এয়ার চিফ মার্শাল বলেন, ওরা যদি ভাবে আমাদের ১৫টি বিমান নামিয়েছে, তাহলে পরের বার যুদ্ধ হলে আমাদের ১৫টি বিমান কম ধরে নিলেই হবে।
অমরপ্রীত সিংয়ের কথায়, অপারেশন সিঁদুর ইতিহাসে স্থান পাবে। শল্য চিকিৎসার মতো নিখুঁত আঘাত, ন্যূনতম ক্ষয়ক্ষতি— সব মিলিয়ে এটি ছিল ১৯৭১-এর পর প্রথম প্রকাশ্যে আসা সর্ববৃহৎ অভিযান। সেনা, নৌসেনা ও বায়ুসেনার যৌথ পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নকেই তিনি এর কৃতিত্ব দেন।