এসবের পরই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে পথকুকুর সমস্যার সমাধান কোন পথে?

ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
শেষ আপডেট: 24 August 2025 14:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি ও নয়ডা এলাকায় সম্প্রতি একাধিক কুকুরে কামড়ানো ও তার ফলে ব়্যাবিসের ঘটনা সামনে এসেছে। তারপরই পদক্ষেপ করে দেশের শীর্ষ আদালত। জানিয়ে দেওয়া হয় ওই এলাকার সমস্ত পথকুকুরকে সেল্টারে পাঠাতে হবে। শুরু হয় বিতর্ক ও আন্দোলন। অবশেষে নতুন বেঞ্চ তৈরি হয় এবং সাম্প্রতিকতম রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, পথকুকুরদের নির্বীজকরণ (স্টেরিলাইজেশন) ও ভ্যাকসিন দেওয়ার পর সবাইকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া যাবে। অদ্ভুতভাবে তারপরই ফের কুকুরে কামড়ানোর ঘটনা সামনে আসছে।
কানপুরে এক ছাত্রের উপর ভয়াবহ হামলা চালায় কয়েকটি কুকুর। মুখে রক্তক্ষরণ শুরু হয়, জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ওই ছাত্রের মুখে ১৭টি সেলাই পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কুকুরদের উৎপাত বাড়ছিল, প্রশাসন চোখ বন্ধ করে বসেছিল।
মধ্যপ্রদেশে ঘটেছে আরেক অনুরূপ ঘটনা। ১০ বছরের এক নাবালিকা পথকুকুরদের তাড়া খেয়ে পড়ে যায় একটি গর্তে। মুহূর্তে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেগুলোর মধ্যে কয়েকটা। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে।
এদিকে পুনেতে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে এমনই আরেক চাঞ্চল্যকর দৃশ্য। দেখা গিয়েছে, সাতটি কুকুর এক ব্যক্তিকে ঘিরে ধরে আক্রমণ করছে। প্রাণ বাঁচাতে তিনি নিজের মোটরবাইককেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন। ওই ভিডিও এখন ভাইরাল।
শুধু হামলাই নয়, বিতর্ক তৈরি হয়েছে দিল্লিতেও। রোহিনির একটি কুকুর নির্বীজকরণ কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন স্বেচ্ছাসেবীরা। তাঁদের অভিযোগ, ভিতরে নির্বিচারে মেরে ফেলা হচ্ছে কুকুর। এক বিক্ষোভকারীর দাবি, ‘সবচেয়ে বড় কথা এখন পরিষ্কার, দিল্লি সরকার নাকি কুকুরের মাংস প্রস্তুতির পরিকল্পনাই করছিল।’
এসবের পরই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে পথকুকুর সমস্যার সমাধান কোন পথে?