দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণ মামলায় বড় অগ্রগতি। আত্মঘাতী হামলাকারী উমর-উন-নবিকে লুকোতে সাহায্য করার অভিযোগে হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে গ্রেফতার সয়াব।

হোয়াইট কলার মডিউলের সয়াব
শেষ আপডেট: 26 November 2025 12:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির লালকেল্লা (Red Fort) মেট্রো স্টেশনের কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় গতি এল তদন্তে। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) হরিয়ানার ফরিদাবাদ (Faridabad) জেলার ধাউজের বাসিন্দা সয়াবকে (Soyab) গ্রেফতার করল। অভিযোগ, ঘটনার মূল চক্রী ডঃ উমর-উন-নবিকে (Dr Umar-un Nabi) লুকোতে এবং পালাতে সাহায্য করেছিলেন তিনিই।
এনআইএ-র তরফে জানানো হয়েছে, সয়াব এই মামলায় সপ্তম গ্রেফতার। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ (Jammu & Kashmir Police) যাঁদের ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’ (white-collar terror module) বলে চিহ্নিত করেছে, সেই নেটওয়ার্কের অংশ বলেই সন্দেহ। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ঠিক কীভাবে এবং কতদিন ধরে তিনি অভিযুক্ত উমরকে সাহায্য করে এসেছেন।
উল্লেখ্য, ১০ নভেম্বর লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের (Red Fort Metro Station) গেট নম্বর ১-এর কাছে একটি পার্ক করা হুন্ডাই i-20 -তে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় অন্তত ১৫ জনের, আহত হন ২০ জনেরও বেশি। পাশাপাশি আগুন ছড়িয়ে যায় আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরও কয়েকটি গাড়িতে। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে, তৈরি হয় প্রবল আতঙ্ক।
ঘটনাকে প্রথম থেকেই ‘টেররিস্ট ইনসিডেন্ট’ (terrorist incident) হিসেবেই দেখেন তদন্তকারীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)-র নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet) বিস্ফোরণে মৃতদের প্রতি শোকপ্রকাশ করেছে। পাশাপাশি তদন্ত দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে দোষীদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে। সরকারের বক্তব্য, এই মামলায় যে বা যারা জড়িত, অভিযুক্ত, সহযোগী বা পৃষ্ঠপোষক, কারও যেন রেহাই না হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব (professionalism) এবং আপতকালীন তৎপরতায় (utmost urgency) তদন্ত শেষ করতে হবে।
এনআইএ ইতিমধ্যেই বিস্ফোরক বোঝাই গাড়িটি কীভাবে শহরের ব্যস্ত এলাকায় এনে দাঁড় করানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে। উমর-উন-নবির গতিবিধি, তাঁর যোগাযোগসূত্র এবং যাঁরা তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিল বলে অভিযোগ, তা দেখা হচ্ছে।