Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
I PAC: ৫০ কোটির বেআইনি লেনদেন, আই প্যাক ডিরেক্টর ভিনেশের বিরুদ্ধে ৬ বিস্ফোরক অভিযোগ ইডিরWest Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ

৬ বছর আগে বকেয়া বেতন হাতে পান কর্মীরা, অবসরের পর ফেরত চেয়ে বসল সরকার! সুপ্রিম কোর্ট বলল...

২০২০ সালে তাঁরা অবসর নেন। কিন্তু অবসরের তিন বছর পর এবং সুবিধা মেলার ছয় বছর পর হঠাৎ কটক জেলা আদালত নির্দেশ দেয়, এই অর্থ ফেরত দিতে হবে। 

৬ বছর আগে বকেয়া বেতন হাতে পান কর্মীরা, অবসরের পর ফেরত চেয়ে বসল সরকার! সুপ্রিম কোর্ট বলল...

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 3 October 2025 12:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাঁচজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে (Retired Employees) অবশেষে বড় স্বস্তি দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। ওড়িশার (Odisha) কটক জেলার ওই সরকারি কর্মীরা প্রায় ছ’বছর আগে বেতনের বকেয়া টাকা (এরিয়ার) হাতে পেয়েছিলেন। কিন্তু অবসর নেওয়ার তিন বছর পর হঠাৎ সেই অর্থ ফেরত দিতে বলা হয় তাঁদের। চরম সমস্যার মুখে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হলে, কোর্ট জানিয়ে দিল, টাকা ফেরত দিতে হবে না।

এর কারণ হিসেবে আদালত বলে, ওই কর্মীরা নিজেরা কোনও ভুয়ো তথ্য দেননি বা প্রতারণা করেননি। বরং সরকারি ব্যাখ্যার ভুলের কারণেই তাদের বাড়তি অর্থ মজুরি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, অবসরের পর এভাবে টাকা ফেরত দাবি করা অন্যায় এবং মানবিক দিক থেকেও গ্রহণযোগ্য নয়।

বিষয়টি ওড়িশার কটক জেলা আদালতের সঙ্গে যুক্ত। ওই পাঁচজন ছিলেন স্টেনোগ্রাফার ও পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে। ২০১৭ সালে শেট্টি কমিশনের সুপারিশের ব্যাখ্যার ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেড-১, গ্রেড-২ ও গ্রেড-৩ পদে পূর্বতন পদোন্নতি দেওয়া হয়। সেই সময়ই তাঁদের হিসেবে ২৬ হাজার ৩৪ টাকা, ৪০ হাজার ৭১৩ টাকা, ২৬ হাজার ৫৩৯ টাকা, ২৪ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং ২১ হাজার ৪৮৫ টাকা করে আর্থিক সুবিধা জমা হয়।

২০২০ সালে তাঁরা অবসর নেন। কিন্তু অবসরের তিন বছর পর এবং সুবিধা মেলার ছয় বছর পর হঠাৎ কটক জেলা আদালত (Cuttack Court) নির্দেশ দেয়, এই অর্থ ফেরত দিতে হবে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে দুটি আলাদা আদেশে তাঁদের টাকা জমা করতে বলা হয়। তাতে আপত্তি জানিয়ে তাঁরা হাইকোর্টে গিয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৩ সালের নভেম্বরে ওড়িশা হাইকোর্ট তাঁদের রিট আবেদন খারিজ করে দেয়।

এরপর প্রাক্তন কর্মীরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। এপ্রিলে তাঁদের আবেদন গ্রহণ করে শীর্ষ আদালত। আইনজীবীদের যুক্তি ছিল, কর্মীরা কোনও রকম প্রতারণা বা মিথ্যা তথ্য দেননি। তাই অবসরের পর তিন বছর পেরিয়ে তাঁদের কাছ থেকে টাকা ফেরত চাওয়া আইনসঙ্গত নয়।

সুপ্রিম কোর্ট রায়ে জানায়, অবসরপ্রাপ্ত স্বল্পবেতনভোগী কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বেতন ভাতা ফেরত চাওয়া বেআইনি এবং অন্যায্য। হাইকোর্ট এই বিষয়টি সঠিকভাবে খতিয়ে দেখেনি বলেও মন্তব্য করে শীর্ষ আদালত।

অন্যদিকে কটক জেলা আদালতের তরফে দাবি করা হয়েছিল, শেট্টি কমিশনের সুপারিশ ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। তাই ফেরত আদায় বৈধ। এমনকী কর্মীরা নিজে স্বীকারোক্তিপত্র দিয়েছিলেন যে অতিরিক্ত টাকা এলে ফেরত দেবেন। কিন্তু তাও সুপ্রিম কোর্ট গুরুত্ব দেয়নি।

ফলে অবসরের বহু বছর পর আর্থিক চাপের মুখে পড়ার আশঙ্কা থেকে রেহাই পেলেন ওই পাঁচজন প্রাক্তন কর্মী।


```