Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
West Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্ল

মাথায় পরপর গুলি! আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে খুনের আগে দুষ্কৃতী বলে, 'আমায় এবার চিনবেন'

দানিশ রাওকে লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। অন্তত তিনবার গুলি লাগে তাঁর শরীরে, যার মধ্যে দুটি গুলি লাগে মাথায়। ঘটনাস্থল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কাছাকাছি। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে দ্রুত জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

মাথায় পরপর গুলি! আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে খুনের আগে দুষ্কৃতী বলে, 'আমায় এবার চিনবেন'

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 25 December 2025 12:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (AMU) ক্যাম্পাসে বুধবার রাতে গুলি করে খুন করা হল এক স্কুলশিক্ষককে (School Teacher)। নিহতের নাম দানিশ রাও (Danish Rao)। তিনি দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ক্যাম্পাসের মধ্যেই অবস্থিত এবিকে হাইস্কুলে কম্পিউটার সায়েন্স (Computer Science) পড়াতেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত প্রায় ৮টা ৫০ নাগাদ দানিশ রাও দুই সহকর্মীর সঙ্গে হাঁটছিলেন। সেই সময় স্কুটারে করে আসা দুই যুবক তাঁদের পথ আটকায়। হাতে পিস্তল নিয়ে হুমকি দেয় তারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গুলি চালানোর ঠিক আগে হামলাকারীদের একজন দানিশকে উদ্দেশ করে বলে, “এখনও আমাকে চেনো না, এবার চিনবে। (Don't Know Me Yet)”

এরপর দানিশ রাওকে লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। অন্তত তিনবার গুলি লাগে তাঁর শরীরে, যার মধ্যে দুটি গুলি লাগে মাথায়। ঘটনাস্থল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কাছাকাছি।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে দ্রুত জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

আলিগড়ের পুলিশ সুপার নীরজ যাদব (Neeraj Jadav) জানান, হামলায় দুই দুষ্কৃতীই গুলি চালিয়েছে। ঘটনার পরেই তারা পালিয়ে যায়। অভিযুক্তদের ধরতে ছ’টি পুলিশ দল গঠন করা হয়েছে। ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এএমইউ-র প্রোক্টর (AMU Proctor) মহম্মদ ওয়াসিম আলি বলেন, “রাত ৯টার কিছু আগে লাইব্রেরির কাছে গুলির খবর পাই। পরে জানা যায়, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি এবিকে স্কুলের শিক্ষক দানিশ রাও। মাথায় গুলি লেগেছিল। মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয়।”

এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ক্যাম্পাসে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়ল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবি করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, উন্নত নিরাপত্তার কারণেই উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগ বাড়ছে। সেই দাবির মধ্যেই এএমইউ ক্যাম্পাসে এই হত্যাকাণ্ড নতুন করে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্ক উসকে দিল।


```