Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল৪২-এ বেবি বাম্প নিয়েও ওয়েট লিফটিং! স্বামী বরুণের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে রোম্যান্স করিশ্মার

নিশানায় শীর্ষ আদালত, রাষ্ট্রপতির অধিকার কি সুপ্রিম কোর্ট বেঁধে দিতে পারে? প্রশ্ন দ্রৌপদীর

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাষ্ট্রপতি ও শীর্ষ আদালতের এই সংঘাত এক ধরনের সাংবিধানিক সংকট। রাষ্ট্রপতি সংবিধানের রক্ষক। 

নিশানায় শীর্ষ আদালত, রাষ্ট্রপতির অধিকার কি সুপ্রিম কোর্ট বেঁধে দিতে পারে? প্রশ্ন দ্রৌপদীর

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 15 May 2025 10:50

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটি মামলায় রাষ্ট্রপতির অধিকার (Rights of President of India) বেঁধে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court)। সেই রায় ঘিরে এবার সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বয়ং রাষ্ট্রপতি (President of India)। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিচার মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপতি সংশ্লিষ্ট রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে ১৪টি প্রশ্ন পাঠিয়ে জবাব চেয়েছেন।

সংবিধানের ১৪৩ (১) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি পাঠিয়েছে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়। এমন প্রতিক্রিয়া বিরল ঘটনা বলে নানা মহলের অভিমত। রাষ্ট্রপতির বিষয়ে সাধারণত কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিক্রিয়া দিয়ে থাকে।

গত ৮ এপ্রিল বিচারপতি জেবি পাদ্রিওয়ালা (Justice JB Padriwala) এবং বিচারপতি আর মহাদেবন (Justice R Mahadevan) এক রায়ে বলেন, বিধানসভায় পাশ হওয়া কোনও বিলের বিষয়ে রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতিকে তিনমাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাঁরা অনন্তকাল বিল বিবেচনার জন্য ফেলে রাখতে পারেন না।

সুপ্রিম কোর্টের ওই রায়কে তখনই আইন ও বিচারমহল অতিবিরল আখ্যা দিয়েছিল। এর আগে রাষ্ট্রপতির দায়দায়িত্ব নিয়ে রায় দেওয়ার নজির ছিল না। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ওই রায় পর্যালোচনার কথা জানানো হয়। রায়ের তীব্র সমালোচনা করে প্রকাশ্যে সরব হন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় (Vice President of India Jagdip Dhankar)। এবার সরাসরি রাষ্ট্রপতি জবাব চাইলেন সুপ্রিম কোর্টের।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাষ্ট্রপতি ও শীর্ষ আদালতের এই সংঘাত এক ধরনের সাংবিধানিক সংকট। রাষ্ট্রপতি সংবিধানের রক্ষক। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্ট তথা বিচারালয় ভারত রাষ্ট্রের একটি স্তম্ভ। রাষ্ট্রপতির প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট, শীর্ষ আদালতের ভূমিকায় তিনি অসন্তুষ্ট। ওই রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয় সেটাই এখন দেখার।

দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, সংবিধানের ২০০ থেকে ২০১ অনুচ্ছেদে বিলে মঞ্জুরি দেওয়া নিয়ে রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতির অধিকারের উল্লেখ আছে। সেখানে বিলে সম্মতি দেওয়ার জন্য কোনও সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নেই। তাহলে কোন অধিকারে সুপ্রিম কোর্ট রাষ্ট্রপতির জন্য তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দিল।

এই সংক্রাম্ত মামলাটি ছিল তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল বনাম রাজ্য সরকারের। রাজ্যপাল আরএন রবি বিধানসভায় পাশ হওয়া বিলগুলি আটকে রেখে অসহযোগিতা করছেন বলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে রাজ্যের ডিএমকে সরকার। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করে, সংবিধানে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া না থাকলেও রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতিতে উপযুক্ত সময়ের মধ্য সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শীর্ষ আদালত উপযুক্ত সময় হিসাবে তিনমাস নির্ধারণ করে দেয়।


```