অ্যারোহেড রণথম্বোরের আরেক বিখ্যাত বাঘ মাছলির নাতনি ও বাঘিনী কৃষ্ণার মেয়ে।

অ্যারোহেড।
শেষ আপডেট: 20 June 2025 14:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘রণথম্বোরের রানি’ অ্যারোহেড মারা গেল। আদমখোর মেয়ে কঙ্কাতিকে ঘুমপাড়ানি গুলি করে এই জঙ্গল থেকে মুকুন্দ্রা হিল ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়ার কয়েকঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় কুমির শিকারে কিংবদন্তি সাহসের অধিকারী এই বাঘিনী। অস্থি-র ক্যানসারে ভোগা ১৪ বছরের এই বাঘিনী কিছুদিন আগেই ভয়ঙ্কর সাহসের পরিচয় দিয়ে পদম তালাও (জলাশয়)-এ একটি কুমির মারে। তারপরেই সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে রীতিমতো নায়িকার পর্যায়ে চলে যায় অ্যারোহেড।
অ্যারোহেডের কুলবংশ পরিচয়ও বেশ নামজাদা। সে রণথম্বোরের আরেক বিখ্যাত বাঘ মাছলির নাতনি ও বাঘিনী কৃষ্ণার মেয়ে। অ্যারোহেডের মেয়ে কঙ্কাতি কিছুদিন আগেই রেঞ্জার সহ দুজনকে মেরে ফেলায় মানুষখেকো হয়ে গিয়েছিল। তাই তাকে এই জঙ্গল থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই মস্তিষ্কে টিউমারের রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় মা বাঘিনীর।
Fare thee well Arrowhead 💔
.
Did not go gentle into that good night ,
Raged against the dying of light,
Always a blazing star in our hearts
.
I was incredibly lucky to witness an extremely frail Arrowhead take down a crocodile - a testament to her indomitable resilience and grit pic.twitter.com/BFfwZBruaw— Anirudh Laxmipathy (@anirudh123) June 19, 2025
Video Credits : Sachin Rai
The final walk of Arrowhead 💔 pic.twitter.com/8v8gN4UCIf— Sriku P (@SrikuP93) June 19, 2025
জঙ্গল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রণথম্বোরের নল ঘাটি ও রাজবাগ লেকের কাছে তার বাসা ছিল। যোগী মহলের কাছে তার দেহ উদ্ধার করেন বনকর্মীরা। পরে বন আইনবিধি অনুসারে তার শেষকৃত্য হয়। সেই অনুষ্ঠানে ফুল-মালা দিয়ে তার দেহ পুঁতে দেওয়ার সময় ছিলেন বনের ওয়ার্ডেন, বন্য পশুর চিত্রগ্রাহক এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও। অ্যারোহেড চারবার সন্তান প্রসব করেছে। ১০টি বাচ্চার মধ্যে এখনও বেঁচে রয়েছে ৬টি।
চিবুকের কাছে তিরের মতো একটি দাগ থাকায় তার নাম রাখা হয়েছিল অ্যারোহেড। রণথম্বোরের সরকারি ইনস্টাগ্রামে তার ছবি দিয়ে লেখা হয়েছে, তার মৃত্যুতে ব্যাঘ্র সংরক্ষণের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। আমরা সকলেই তার মৃত্যুতে খুবই ব্যথিত। অ্যারোহেড ছিল এই জঙ্গলের সম্পদ, গর্ব। তার রাজকীয় চালচলনের জন্য রণথম্বোরের রানি বলা হতো। এছাড়াও শক্তি ও শিকারের সাহস এবং মাতৃত্বের সমস্ত গুণ ছিল অ্যারোহেডের মধ্যে।