প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “কলকাতায় বিজেপি কর্মিসভায় যোগ দিতে আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছি। প্রতিদিনই মানুষের ক্ষোভ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাড়ছে। উন্নয়নের এজেন্ডার জন্য পশ্চিমবঙ্গ এখন আশা নিয়ে বিজেপির দিকে তাকিয়ে আছে।”

শেষ আপডেট: 21 August 2025 17:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার কলকাতায় মেট্রো রেলের নতুন পরিষেবার উদ্বোধন করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ ধরনের সফরে রথ দেখা ও কলা বেচা দুটিই করা দস্তুর। তাই সরকারি অনুষ্ঠানের পাশাপাশি রাজনৈতিক সভাও করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। বিজেপির কর্মিসভায় যোগ দেবেন তিনি। তার আগে বৃহস্পতিবার টুইটারে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “কলকাতায় বিজেপি কর্মিসভায় যোগ দিতে আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছি। প্রতিদিনই মানুষের ক্ষোভ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাড়ছে। উন্নয়নের এজেন্ডার জন্য পশ্চিমবঙ্গ এখন আশা নিয়ে বিজেপির দিকে তাকিয়ে আছে।”
বাংলায় একটানা প্রায় ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এতদিন একটানা ক্ষমতায় থাকলে স্বাভাবিক নিয়মেই প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা তৈরি হয়। বাংলাতেও সেই সব উপসর্গ ইদানিং দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই সরকারি অনুষ্ঠান বা কর্মিসভা কেবলমাত্র একটি সাংগঠনিক কর্মসূচি নয়, বরং রাজ্যে বিজেপির শক্তি বাড়ানোর কৌশলও বটে। উন্নয়নকে সামনে রেখে বিজেপি রাজ্যে বিকল্প সরকারের বার্তা ছড়াতে চাইছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই টুইট সরাসরি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বিজেপি এখন রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষকে রাজনৈতিক মূলধন হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। তবে তৃণমূলের পাল্টা বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর এ সব কথা স্রেফ লোক দেখানো। বিজেপি শুধুই বিভাজন ও বিদ্বেষের রাজনীতি করছে, উন্নয়ন নয়।
আগামীকাল,২২শে আগষ্ট, আমি বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ এই দুই রাজ্যের উন্নয়নের সহায়ক নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে যাবো । এই প্রকল্পগুলি ব্যবসা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।https://t.co/OV5XGgX08G
— Narendra Modi (@narendramodi) August 21, 2025
প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচিকে শুধু পরিকাঠামো উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাঁর বার্তায় স্পষ্ট—কেন্দ্র সরকার কলকাতার উন্নয়ন ও নাগরিকদের সুবিধার্থে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মোদীর এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক উষ্ণতা বেড়েছে। বিজেপি দাবি করছে, এই ধরনের প্রকল্প শহরে উন্নয়নের নতুন দুয়ার খুলে দিচ্ছে। অন্যদিকে তৃণমূল শিবির বলছে, এ সবই মানুষের করের টাকায় তৈরি, বিজেপির একার কৃতিত্ব নয়।