Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

Prashant Kishor: ভোটের মুখে নাম প্রত্যাহার তিন প্রার্থীর, প্রশান্তের দাবি, 'বিজেপি হুমকি দিচ্ছে'

বিচলিত হচ্ছেন না প্রশান্ত কিশোর। স্পষ্ট বলেন, “জন সুরাজের ২৪০ জন যোদ্ধা এখনও ময়দানে আছেন। এনডিএ যতই প্রার্থী কিনুক, ভয় দেখাক, বা আটকাক - আমরা পিছিয়ে যাব না। ১৪ নভেম্বর, ভোটগণনার দিন সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

Prashant Kishor: ভোটের মুখে নাম প্রত্যাহার তিন প্রার্থীর, প্রশান্তের দাবি, 'বিজেপি হুমকি দিচ্ছে'

প্রশান্ত কিশোর

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 21 October 2025 18:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Elections) আর কয়েক সপ্তাহ বাকি। কিন্তু তার আগে ফের বিজেপিকে (BJP) নিশানা করলেন জন সুরাজ পার্টির (Jan Suraj Party) প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। তাঁর অভিযোগ, দলীয় প্রার্থীদের ভয় দেখিয়ে মনোনয়ন তুলিয়ে নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

নির্বাচনের মুখে প্রশান্ত কিশোরের দলের তিন প্রার্থী নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এই ইস্যুতে কিশোরের দাবি, বিজেপির চাপেই ওই তিনজন প্রার্থী লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনে (ECI) অভিযোগ জানাবেন বলেও জানান।

প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্য, “বিজেপি এমন একটা ভাবমূর্তি তৈরি করেছে যে, ভোটে যেই জিতুক, সরকার গড়ে ওরাই। জন সুরাজকে ওরা ‘ভোট কাটার দল’ বলেছিল। কিন্তু ভোটের আগে থেকেই এনডিএ ভয় পেয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “ বিজেপি মহাজোটকে (India Alliance) ভয় পায় না। উল্টে মানুষকে ভয় দেখায়। বলে, যদি বিজেপিকে ভোট না দাও, তবে লালু যাদবের ‘জঙ্গল রাজ’ ফিরে আসবে। কিন্তু এখন মানুষের সামনে নতুন বিকল্প এসেছে - জন সুরাজ। এটাই সেই পথ, যা ৩০ বছরের দাসত্ব থেকে মুক্তি দেবে।”

জন সুরাজের তিন প্রার্থী -  দানাপুরের মুতুর শাহ, ব্রহ্মপুরের সত্যপ্রকাশ তিওয়ারি এবং গোপালগঞ্জের শশী শেঠি শিনহা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। প্রশান্ত কিশোরের স্পষ্ট দাবি, বিজেপির চাপেই তাঁরা এটা করতে বাধ্য হয়েছেন।

তবে এতে বিচলিত হচ্ছেন না প্রশান্ত কিশোর। স্পষ্ট বলেন, “জন সুরাজের ২৪০ জন যোদ্ধা এখনও ময়দানে আছেন। এনডিএ যতই প্রার্থী কিনুক, ভয় দেখাক, বা আটকাক - আমরা পিছিয়ে যাব না। ১৪ নভেম্বর, ভোটগণনার দিন সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

এর আগে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেছিলেন, তাঁর দল, জন সুরাজ পার্টি (জেএসপি)-র ওপর যদি আস্থা রাখে বিহারের মানুষ, তবে ঝুলিতে আসবে ১৫০টিরও বেশি আসন। আর যদি তেমন না হয়, মানুষ বিশ্বাস করতে না পারেন, তাহলে ১০টি আসনও মিলবে না।

বিজেপি-জেডিইউ-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ও আরজেডি-কংগ্রেস জোট ‘ইন্ডিয়া ব্লক’, দু’পক্ষকেই একহাত নিয়ে বলেন, 'এখন বলটা পুরোপুরি বিহারের মানুষের কোর্টে। তারা সিদ্ধান্ত নেবেন, কেমন সরকার আর কেমন নেতা চান। যদি আগের মতোই দুঃখ-কষ্টে বাঁচতে চান, তাহলে যাকে খুশি বেছে নিক। ভাল শাসন আর সন্তানদের ভবিষ্যত উন্নত করতে হলে জন সুরাজ পার্টি আছে।'

১৫০ মানে জয়, আর নাহলে পরাজয়, স্পষ্ট করেন তিনি। এবার বিহারের ২৪৩ আসনেই লড়বে তাঁর দল, জোটে যাওয়ার প্রশ্নই নেই!


```