তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির বাজার মূল্য অনেক বেশি হতে পারে। এরুগুকে গ্রেফতার করে ইতিমধ্যেই আদালতে পেশ করা হয়েছে। আদালত তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীর বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ
শেষ আপডেট: 17 September 2025 16:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হায়দরাবাদে দুর্নীতি দমন শাখা (Anti-Corruption Bureau) মঙ্গলবার বিদ্যুৎ বিভাগের সহকারী ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার (Assistant Divisional Engineer) আম্বেদকর এরুগুর বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদের মামলা করেছে। অভিযোগ, তাঁর সরকারি আয়ের তুলনায় অনেক বেশি সম্পত্তির মালিক তিনি। অধিকাংশই অর্জন করেছেন বেআইনিভাবে।
দুর্নীতি দমন শাখার কর্মকর্তারা এরুগুর বাড়ি তাঁর পরিবারের সাথে সম্পর্কিত ১০টি ঠিকানায় তল্লাশি চালান। অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে বিভিন্ন সম্পদ, যেমন শেরলিংগমপল্লিতে একটি ফ্ল্যাট, গাচিবৌলিতে একটি ৫ তলা ভবন এবং ১০ একর জমির ওপর ‘অ্যামথার কেমিক্যালস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
এছাড়া হায়দরাবাদে ছ'টি প্লট, একটি কৃষিজমি, দুটি গাড়ি, প্রচুর সোনার গয়না এবং ব্যাংক আমানতও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সন্দেহভাজন সহযোগীর বাড়ি থেকে নগদ ২ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, এরুগুর তাঁর সরকারি পদ ব্যবহার করে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বানিয়েছেন।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির বাজার মূল্য অনেক বেশি হতে পারে। এরুগুরকে গ্রেফতার করে ইতিমধ্যেই আদালতে পেশ করা হয়েছে। আদালত তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে আরও সম্পত্তির সন্ধান চলছে। কাঁদের কাছ থেকে কীভাবে অভিযুক্ত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মী টাকা নিয়েছেন তাও দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক শিক্ষকের শ্বশুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে একটি বেটিং চক্র জড়িত থাকতে পারে।
অসমেও মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার বিশেষ ভিজিল্যান্স সেলের তল্লাশিতে রাজ্যের এক সিভিল সার্ভিসেসের তরুণী অফিসার ধরা পড়েছেন। অসম সিভিল সার্ভিসেসের (ACS) ওই অফিসারের বাড়িতে সোমবার তল্লাশি চালানো হয়। তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৯২ লক্ষ টাকা নগদ ও ২ কোটি টাকার গয়না উদ্ধার হয়েছে।
তদন্তের বর্ণনা দিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত ৬ মাস যাবৎ তাঁর উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তাঁর বিরুদ্ধে দফায় দফায় জমি বেচাকেনা সংক্রান্ত অভিযোগ আসছিল দফতরের কাছে। তিনি আরও বলেন, বরপেটা জেলায় সার্কল অফিসার হিসেবে কাজ করার সময় নূপুর বোরার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী যাঁকে তিনি মিয়া নামে উল্লেখ করেছেন, তাঁর নামে সরকারি ও সাতরা জমির রেজিস্ট্রেশন করিয়েছেন।