ভারতমাতা কি জয়ধ্বনি দিয়ে ভাষণের আগাগোড়া রাজ্যের মানুষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। রাজ্যের মানুষকে কুর্নিশ জানিয়ে বীরভূমি মণিপুরকে দেশের একটি অত্যন্ত মূল্যবান রত্ন বলে বর্ণনা করলেন।

শনিবার মণিপুরের চূড়াচাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শেষ আপডেট: 13 September 2025 14:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মণিপুরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কুকি জো-মেইতেই সম্প্রদায়ের জাতিদাঙ্গার দুবছর পর শান্তির বার্তা দিলেন রাজ্যবাসীকে। স্বভাবসুলভ ভাষায় ভারতমাতা কি জয়ধ্বনি দিয়ে ভাষণের আগাগোড়া রাজ্যের মানুষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। রাজ্যের মানুষকে কুর্নিশ জানিয়ে বীরভূমি মণিপুরকে দেশের একটি অত্যন্ত মূল্যবান রত্ন বলে বর্ণনা করলেন।
মিজোরামের রাজধানী আইজল থেকে ইম্ফলে এসে হেলিকপ্টারে করে কুকি জো অধ্যুষিত চূড়াচাঁদপুরে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু, অতিবৃষ্টিতে প্রকৃতি বিরূপ হওয়ায় তিনি সড়কপথে গিয়ে পৌঁছন চূড়াচাঁদপুরে। ভাষণে সেকথা উল্লেখ করে মোদী বলেন, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে হেলিকপ্টার আজ কাজ করেনি। এই ভূমি অনুপ্রেরণা ও বীরত্বের ভূমি। প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেও আপনারা এখানে এসেছেন, তার জন্য সকলকে আমার ধন্যবাদ। আর আমিও বৃষ্টির জন্য সড়কপথে এসেছি। দেখলাম রাস্তার দুধারে কীভাবে মানুষ অপেক্ষা করে রয়েছেন। মণিপুরের বাচ্চা-বৃদ্ধরা দেশের তেরঙা পতাকা নেড়ে আমাকে স্বাগত জানাচ্ছেন। আমি জীবনে কখনও এই দৃশ্য ভুলব না।
মোদী এদিন চূড়াচাঁদপুরের পিস গ্রাউন্ডে জাতিদাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। ঘরছাড়া মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন। তাঁদের এই বলে আশ্বস্ত করেন যে, রাজ্যে শান্তি ও স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্র দায়িত্বশীল থাকবে। মোদীও বলেন, আমি বুঝেছি মণিপুরে একটি নতুন আশার আলো ও বিশ্বাস জেগে উঠছে। উন্নয়নের ভিত হল শান্তি। তিনি এও বলেন, গত ১১ বছর ধরে অশান্ত উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি প্রতিষ্ঠার অক্লান্ত চেষ্টার পর উগ্রপন্থাকে মূল স্রোতে আনা গিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মণিপুর হল সীমান্তবর্তী রাজ্য। তাই এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত উত্তম হওয়া জরুরি। তাই ২০১৪ সাল থেকে আমি মণিপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে নজর দিয়ে বসে রয়েছি। আর তার জন্য চাই নিরবচ্ছিন্ন শান্তি। সমস্ত মানুষের কাছে আমার আবেদন, আমরা শান্তি বজায় রাখুন, আমরা আপনাদের উন্নয়ন দেব।