দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে মোদীর সফরকে একটা প্রহসন বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, বুড়ি ছুঁতে সেখানে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাও আজ মোদীর মণিপুর সফর নিয়ে ব্যাপক নিন্দা করেন।
শেষ আপডেট: 13 September 2025 13:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মণিপুরে ২০২৩ সালের কুকি-মেইতেই জাতিদাঙ্গার পর শনিবার প্রথম উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্যে পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তা নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে পড়লেন তিনি। দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে মোদীর সফরকে একটা প্রহসন বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, বুড়ি ছুঁতে সেখানে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের দুর্দশাপীড়িত মানুষের প্রতি এটাও এক ধরনের অপমান।
কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাও আজ মোদীর মণিপুর সফর নিয়ে ব্যাপক নিন্দা করেন। তিনি বলেন, দু বছর পর উনি মণিপুর যাচ্ছেন শুনে আমি খুশি হয়েছি। কিন্তু, এটাই তো উনি প্রথমেই যেতে পারতেন। অনেক আগেই তাঁর যাওয়া উচিত ছিল। কেরলের ওয়ানাড়ের এমপি প্রিয়ঙ্কার কথায়, ওখানে যা ঘটেছে, তা উনিই ঘটতে দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে উনি চলতে দিয়েছেন হিংসা, এটাও বিরাট দুর্ভাগ্যের বিষয়। সেকারণেই মণিপুরে এত প্রাণহানি হয়েছে। ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রীরই এ ধরনের রেকর্ড নেই। এদেশের ঐতিহ্যই হচ্ছে, যখনই আর্ত মানুষের চিৎকার শোনা গিয়েছে, সেখানেই গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীরা।
খাড়্গে শনিবার বেলায় এক এক্সবার্তায় লিখেছেন, উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্য ঘোরার মধ্যে একটি বিরতি দেওয়ার জন্য মণিপুর গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মণিপুর যাওয়াটাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য নয়। তিনি যাচ্ছেন মিজোরাম ও অসম। মাঝখানে ক্ষণিকের বিশ্রাম নিতে ঢুকছেন মণিপুরে। উনি রাজ্যের মানুষের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে যাচ্ছেন না। এটা একেবারে নাটক, প্রথা বজায় রাখা এবং পীড়িত মানুষকে অপমান করতে সেখানে পা রাখতে যাচ্ছেন মোদী।
দীর্ঘ এবং চাঁচাছোলা ভাষায় খাড়্গে আরও বলেছেন, ইম্ফল এবং চূড়াচাঁদপুরে আজ আপনার তথাকথিত রোড শো আর কিছুই নয়, ত্রাণ-উদ্ধার শিবিরে যন্ত্রণাপীড়িত আর্তের কান্না শোনার হাত থেকে পরিত্রাণের উপায়। খাড়্গে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন,