মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে আলাদা করে নতুন কোনও আইন আনা হয়নি। তবে ১৯৩৭ সালের এয়ারক্রাফট রুলস অনুযায়ী, বিমানের ভিতরে শৃঙ্খলাভঙ্গ বা যাত্রী-ক্রুদের অসুবিধা সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট বিধান রয়েছে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 15 February 2026 14:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিমানের ভিতরে (Flight) ইয়ারফোন (Ear Phone) ছাড়া ব্যাপক জোড়ে গান বাজালে তা ‘অশান্ত আচরণ’ হিসেবে গণ্য হতে পারে। এমনই সতর্কবার্তা দিল কেন্দ্র (Centre)। লোকসভায় (Lok Sabha) নামাক্কলের সাংসদ ভি এস মথেশ্বরনের প্রশ্নের জবাবে 'অসভ্য' যাত্রীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে প্রসঙ্গে এ কথা জানান অসামরিক বিমান পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী (Directorate General of Civil Aviation) মুরলীধর মহোল।
মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে আলাদা করে নতুন কোনও আইন আনা হয়নি। তবে ১৯৩৭ সালের এয়ারক্রাফট রুলস অনুযায়ী, বিমানের ভিতরে শৃঙ্খলাভঙ্গ বা যাত্রী-ক্রুদের অসুবিধা সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট বিধান রয়েছে। কোনও যাত্রীর আচরণ যদি নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে বা অন্যদের অস্বস্তিতে ফেলে, তা হলে সেই আচরণ ‘ডিসরাপটিভ’ (Disruptive) বা বিশৃঙ্খল হিসেবে ধরা হতে পারে (Passengers Playing Loud Music On Plane)।
নিয়ম অনুযায়ী (regulations)—
মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, বোর্ডিং বা অবতরণের সময় বিমান সংস্থার তরফে হালকা সুরের গান বাজানো বা ইন-ফ্লাইট এন্টারটেনমেন্ট সিস্টেমে সরবরাহ করা কনটেন্ট এই নির্দেশিকার আওতায় পড়ে না। মূলত ব্যক্তিগত মোবাইল বা স্পিকারে ইয়ারফোন ছাড়া উচ্চস্বরে গান বা অডিও বাজানোই সমস্যার কারণ হলে তা অশান্ত আচরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এ ছাড়া বিমানের ভিতরে ভিডিও ব্লগিং বা ছবি তোলা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। মন্ত্রী জানান, উড়ানের সময় বা এয়ারড্রোমে পূর্বানুমতি ছাড়া ছবি তোলায় বিধিনিষেধ রয়েছে।
সাম্প্রতিক কালে বিমানে যাত্রীদের আচরণ নিয়ে বাড়তে থাকা প্রত্যাশার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রের এই বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, সহযাত্রীদের বিরক্ত করে এমন উচ্চস্বরে গান বাজানো চলবে না, প্রয়োজনে তা ‘আনরুলি বিহেভিয়ার’ হিসেবেই গণ্য হবে।