নিরাপত্তা ব্যবস্থার সূত্র বলছে, বৈসরন উপত্যকায় আচমকা হামলায় গণহত্যার পরপরই ‘সাফল্য’ তুলে ধরতে শূন্যে ফায়ারিং করে তিন জঙ্গি।

শেষ আপডেট: 16 July 2025 20:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের বুকে পহেলগামের বৈসরন উপত্যকায় আচমকা ঘটে যাওয়া জঙ্গিহামলায় পর্যটকদের হাসিখুশি মুহূর্ত নিমেষে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল বিষাদ, আর্তনাদে। ভারত তো বটেই গোটা বিশ্বের হৃদয় কেঁপে উঠেছিল নির্মম ওই ঘটনায়।
নৃশংস ওই হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটকের প্রাণ নেওয়ার পর শূন্যে গুলি ছুড়ে ‘সাফল্য’ উদযাপন করেছিল জঙ্গিরা - তদন্তে উঠে এল এমন কিছু নির্মম কঠিন অথচ সত্যি ঘটনা।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বৈসরন উপত্যকায় ওই আচমকা হামলায় গণহত্যার ঠিক পরপরই ‘সাফল্য’ তুলে ধরতে শূন্যে ফায়ারিং করেছিল ওই তিন জঙ্গি।
তদন্তে এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে উঠে এসেছে এই তথ্য – যা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকরা। ওই প্রত্যক্ষদর্শী, আদতে স্থানীয় এক বাসিন্দা, যিনি ওই হামলার ঘটনার পরপর জঙ্গিদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তাঁর দেওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যই টুকরো টুকরো ঘটনা জুড়তে সাহায্য করেছে তদন্তকারীদের।
আরও কিছু মানুষ যারা কাছ থেকে সেদিনের ঘটনাটি দেখেছেন, তাঁদের কথায়, জঙ্গিদের মদত দেওয়া দু’জন স্থানীয় ব্যক্তি ওইদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, যাদের এনআইএ গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সেই দিন তারা ওই তিন জঙ্গির সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র দেখাশোনার দায়িত্বে ছিল।
পহেলগামের ঘটনায় যুক্ত সুলেইমানের (লস্কর-ই তইবার কমান্ডার) নাম জম্মু ও কাশীরের আরও তিন সন্ত্রাসমূলক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। যার মধ্যে একটি হল জেড মোর টানেল কনস্ট্রাকশন এজেন্সির ওপর হাই প্রোফাইল অ্যাটাক।
২২ এপ্রিলের ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানকে নিয়ে ভারত বেশ কয়েকটি কঠোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করে, বেশ কিছু কূটনৈতিক নীতিতে পরিবর্তন আনে – যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিন্ধু জলচুক্তি, ভারতে পাকিস্তানি কূটনীতিকদের অবস্থান, আটারি-ওয়াঘা সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া।