Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

৩২৬ দিনের 'ত্রাসি-১' অভিযানে খতম ৭ জঙ্গি! বর্ষা হোক বা শীত, মনোবল ভাঙেনি জওয়ানদের

শীত নেমে এলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়। তীব্র ঠান্ডা, তুষারপাত আর বৃষ্টির মধ্যেও বাহিনী এলাকা ছাড়েনি। প্রতীকী অর্থে জঙ্গি নেটওয়ার্ক নির্মূলের সংকল্পই তাদের অটল রেখেছিল। উচ্চভূমির ছাতরু অঞ্চলে এই কঠিন অভিযান নেতৃত্ব দেয় সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস।

৩২৬ দিনের 'ত্রাসি-১' অভিযানে খতম ৭ জঙ্গি! বর্ষা হোক বা শীত, মনোবল ভাঙেনি জওয়ানদের

নিকেশ সাত জঙ্গি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 23 February 2026 21:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) দুর্গম পাহাড়-জঙ্গলে প্রায় এক বছর ধরে টানা অভিযানের শেষে বড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। ‘ত্রাশি-১’ নামে এই দীর্ঘ অভিযানে (Operation Trashi-1) কিস্তওয়ারে সাত জন পাকিস্তান-প্রশিক্ষিত জঙ্গিকে (Pakistani Terrorists) নিকেশ করা হয়েছে।

সেনা, রাজ্য পুলিশের বিশেষ কৌশল দল এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর যৌথ তৎপরতায় ৩২৬ দিনের (326 Days Operation Trashi-1) এই অভিযান শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যভেদ করে।

বর্ষা থেকে শীত - অবিরাম অভিযান

দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল, ঘন অরণ্য, খোলা মাঠ বা রাস্তার অভাব - সব মিলিয়ে অভিযান ছিল অত্যন্ত কঠিন। জঙ্গিরা পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। ভূ-প্রকৃতির সুবিধা নিয়ে তারা বারবার আত্মগোপন করত। মাঝেমধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলেও তারা দ্রুত জঙ্গলে মিলিয়ে যেত। তবু নিরাপত্তা বাহিনী প্রায় এক বছর অপারেশন এলাকায় ঘাঁটি গেড়ে ছিল।

শীত নেমে এলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়। তীব্র ঠান্ডা, তুষারপাত আর বৃষ্টির মধ্যেও বাহিনী এলাকা ছাড়েনি। প্রতীকী অর্থে জঙ্গি নেটওয়ার্ক নির্মূলের সংকল্পই তাদের অটল রেখেছিল। উচ্চভূমির ছাতরু অঞ্চলে এই কঠিন অভিযান নেতৃত্ব দেয় সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস (White Knight Corps)।

নিকেশ বড় মাথা

অভিযানে নিহতদের মধ্যে রয়েছে জইশ-ই-মহম্মদ গোষ্ঠীর শীর্ষ মুখ সাইফুল্লা। দীর্ঘদিন ধরে সে ওই এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল। ২০১৬ সালে হিজবুল মুজাহিদিনের বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর যেমন উপত্যকায় অস্থিরতা ছড়িয়েছিল, তেমনই সাইফুল্লাও বিভিন্ন কৌশলে অশান্তি উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে নিরাপত্তা সূত্রের দাবি। তার মৃত্যুর পর জঙ্গি নেটওয়ার্ক কার্যত ভেঙে পড়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি - পার্সন ভিউ ড্রোন, চালকবিহীন উড়ান এবং উপগ্রহচিত্র। দুর্গম ভূ-প্রকৃতির মধ্যেও সুরক্ষিত যোগাযোগব্যবস্থা বাহিনীকে সব পরিস্থিতিতে সংযুক্ত রেখেছে। সেনা, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় রিজার্ভ বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

হোয়াইট নাইট কর্পস এক বার্তায় জানিয়েছে, “জঙ্গি নেটওয়ার্কের উপর বিরাট আঘাত। আমরা সেবা করি, আমরা রক্ষা করি।” দীর্ঘ ও কঠিন এই অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর ধৈর্য, সাহস এবং সমন্বয়ের এক উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত তৈরি হল।


```