ছয় বছর আগে বিয়ে হয়েছিল রাজস্থানের কোটার (Kota) বাসিন্দা দীপক রাঠোরের। পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানও রয়েছে দম্পতির। পরিবারের তরফে জানানো হয়, মোবাইল ফোনে নিয়মিত অনলাইন গেম (Online Gaming addiction) খেলতেন দীপক।

আত্মঘাতী রাজস্থানের দম্পতি
শেষ আপডেট: 2 June 2025 20:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন দিন বাড়ছিল অনলাইনে গেম খেলার আসক্তি। তার জেরে বাড়ছিল ঋণের বোঝা। সেই টাকা শোধ করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন রাজস্থানের দম্পতি (Rajasthan Couplee dies by suicide)।
ছয় বছর আগে বিয়ে হয়েছিল রাজস্থানের কোটার (Kota) বাসিন্দা দীপক রাঠোরের। পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানও রয়েছে দম্পতির। পরিবারের তরফে জানানো হয়, মোবাইল ফোনে নিয়মিত অনলাইন গেম (Online Gaming addiction) খেলতেন দীপক। অনেকবার বারণ করা হলেও শোনেননি। গেমের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন। আত্মীয়, বন্ধুদের কাছে চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল। কীভাবে এত টাকা শোধ করবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না। এদিকে ঋণদাতাদের থেকে চাপ আসছিল।
সোমবার বেলা গড়িয়ে গেলেও ছেলে-বউমার দেখা না পাওয়ায় তাঁদের ঘরের কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করেন দীপকের বাবা সত্যনারায়ণ রাঠোর। অনেকক্ষণ পরও সাড়া আসে না। শেষে দম্পতির পাঁচ বছরের মেয়ে ভিতর থেকে দরজা খুলে দেয়। ঘরে ঢুকে তাঁদের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় প্রৌঢ়।
খবর পেয়ে পুলিশ দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মৃত দীপকের বোন জানিয়েছেন, 'দাদার অনেক টাকার ঋণ হয়ে গিয়েছিল। তবে আমরা তাঁর পাশে ছিলাম। কোনও না কোনওভাবে টাকার ব্যবস্থা করে নিতাম।' এমনকি দীপককে আগে থেকেই সাবধান করেছিল তাঁর পরিবার। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ঋণের দায়েই আত্মহত্যা করেছেন দম্পতি। তবে গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) একটি মামলার শুনানি শুরু হয়েছে, যেখানে বেআইনি বেটিং অ্যাপ এবং অনলাইন গেম নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। শীর্ষ আদালত এনিয়ে কেন্দ্র সরকারের জবাব চেয়েছে। তবে এখনও রাজ্যগুলিকে এই বিষয়ে নোটিস দেওয়া হয়নি।
অনলাইনে জুয়া খেলতে লক্ষ লক্ষ টাকা ধার, টাকা শোধ করতে নিজের একটি কিডনিও বেচে দেন যুবক। এরপরও দেনা মেটেনি। অভিযোগের ভিত্তিতে ভগবানগোলার বাসিন্দা রোশন জামান এক যুবককে গ্রেফতার করেছে এরাজ্যের পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, পেশায় ডেলিভারি বয় রোশন প্রথমে নিজের দুই দাদার থেকে টাকা ধার নিয়ে জুয়া খেলতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে আত্মীয়, চেনা জানা স্থানীয়দের থেকেও টাকা নেন তিনি। কিন্তু জুয়ায় হেরে সমস্ত টাকা খুইয়ে দেন রোশন। ধার শোধ করতে ছয় লক্ষ টাকায় নিজের কিডনিও বিক্রি করে যুবক। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।