মৃতার ভাই জানিয়েছেন, 'পুলিশ প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছে তরুণী নিজেই সূচের মাধ্যমে নিজেই নিজের শরীরে কোনও পদার্থ প্রবেশ করিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন।'

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 9 August 2025 17:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তরুণী নার্সের। রাখি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে প্ল্যানও বানানো হয়ে গেছিল। কিন্তু আচমকাই উৎসবের আনন্দ বদলে গেল শোকে। ওড়িশার ভুবনেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের শৌচাগারে উদ্ধার হল তাঁর মৃতদেহ (Odisha Nurse Found Dead in Hospital)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে মৃতার পরিবার। কীভাবে মৃত্যু খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মৃতার ভাই এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, 'পুলিশ প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছে তরুণী নিজেই সূচের মাধ্যমে নিজেই নিজের শরীরে কোনও পদার্থ প্রবেশ করিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন।' যদিও পরিবারের অভিযোগ, নার্সের মৃত্যুর পেছনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা থাকতে পারে। তাঁদের দাবি, ঘটনার প্রায় দু'ঘণ্টা পর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মৃতার পরিজনেরা।
তরুণীর ভাইয়ের দাবি, 'আমাদের প্রথমে বলা হয়, শৌচাগারে অচেতন অবস্থায় দিদিকে পাওয়া গেছে (Odisha Nurse Found Dead in Hospital)। পরে পুলিশ জানায়, তাঁর হাতে একটি সিরিঞ্জ ছিল, যা থেকে মনে হচ্ছে ঘটনাটি আত্মহত্যার। তবে আমি দিদির ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবনে এমন কোনও সমস্যার কথা জানি না, যা তাঁকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে।'
তিনি আরও জানান, রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে গঞ্জামে বাড়ি ফেরার জন্য দিদি খুবই খুশি ছিলেন। ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই তাঁদের ফোনে কথা হয়েছিল।
পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। দুর্ঘটনা, শারীরিক অসুস্থতা, ব্যক্তিগত সমস্যা, কাজের জায়গায় হেনস্থা- মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজতে সবদিক খতিয়ে দেখা হবে বলেই খবর। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজও দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মৃতার সহকর্মীদেরও।
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, যৌন নির্যাতনের কোনও ঘটনা ঘটেছে কিনা তা রিপোর্ট দেখেই স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত বছর ৯ অগস্ট কলকাতার এক সরকারি হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। কর্তব্যরত অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলেই অভিযোগ উঠেছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায় তাঁকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে।