নির্বাচনের আগেই কার্যত বাজিমাত শাসক জোটের।

ছবি-সংগৃহীত।
শেষ আপডেট: 3 January 2026 07:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্বাচনের আগেই কার্যত বাজিমাত শাসক জোটের। মহারাষ্ট্রে বহু প্রতীক্ষিত পুরসভা নির্বাচনের আগে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৬৮টি ওয়ার্ড দখল করে নিল বিজেপি–শিবসেনা জোট ও অজিত পওয়ারের এনসিপি (Not 1 Vote Cast, BJP, Shiv Sena Win 66 Seats In Maharashtra Civic Polls)। এর মধ্যে ৬৬টি ওয়ার্ড গিয়েছে বিজেপি–শিবসেনার ঝুলিতে, আর দু’টি পেয়েছে অজিত পওয়ার শিবির।
শুক্রবার ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। বিভিন্ন দল ও জোটের একাধিক প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় মোট ৬৮ জন প্রার্থী বিনা ভোটেই জয়ী হয়ে যান। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে মুম্বই মেট্রোপলিটন অঞ্চলের (MMR) গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণ–ডোম্বিভলি পুরনিগমে। সেখানে বিজেপি–শিবসেনা জোটের ২১ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন—এর মধ্যে বিজেপির ১৫ জন এবং শিবসেনার ছ’জন।
উত্তর মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলা জলগাঁও থেকেও বড় সাফল্য পেয়েছে শাসক জোট। সেখানে বিজেপি ও শিবসেনা—দু’দলই ছ’টি করে আসন দখল করেছে। একই ধারা দেখা গিয়েছে এমএমআর-এর পানভেলেও, যেখানে বিজেপির সাত জন প্রার্থী বিনা লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন।
চমক এসেছে ভিওয়ান্ডিতেও। দীর্ঘ দিন ধরে শরদ পওয়ার শিবিরের এনসিপির শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত এই এলাকায় বিজেপি ছ’টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে। এদিকে, বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন সত্ত্বেও উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের ঘাঁটি থানে জেলায় শিবসেনা ছ’টি ওয়ার্ড দখল করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেখানে প্রতিবাদে নেমেছে রাজ ঠাকরের এমএনএস।
রাজ্যের অন্য অংশেও ছোট হলেও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ফল মিলেছে। ধুলেতে বিজেপির তিন জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। আবার আহিল্যানগরে এনসিপি পেয়েছে দু’টি আসন, বিজেপি একটি।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সদ্য সমাপ্ত পুরপরিষদ নির্বাচনে প্রায় ক্লিন সুইপের পর এই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিজেপি ও শিবসেনা জোটের আরও মনোবল জোগাবে। পাশাপাশি, বহু জায়গায় ভোটের চাপ কমে যাওয়ায় বাকি এলাকায় জোরদার প্রচারে মন দিতে পারবে শাসক শিবির। সব মিলিয়ে, ভোটের আগেই পুরসভা নির্বাচনে যে শাসক জোট বেশ খানিকটা এগিয়ে গেল, তা বলাই যায়।