মন্ত্রী শরওয়ান কুমার আরও জানান, নিশান্তকে দলে “বড় দায়িত্ব” দেওয়া হবে। তবে ঠিক কোন দায়িত্ব, তা এক-দু’দিনের মধ্যেই স্থির হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিশান্তকে রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে কি না - এই প্রশ্নে শরওয়ান কুমারের জবাব, “সবই সম্ভব।”

শেষ আপডেট: 3 March 2026 21:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)–এর ছেলে নিশান্ত কুমারের সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ প্রায় চূড়ান্ত (Nishant Kumar to enter politics)। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবে জনতা দল (ইউনাইটেড) বা জেডিইউ (JDU)। মঙ্গলবার এমনটাই জানালেন রাজ্যের প্রবীণ মন্ত্রী শরওয়ান কুমার (Sharwan Kumar)।
সর্বভারতীয় এক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এখন বিষয়টি স্পষ্ট যে, নিশান্ত কুমার সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন (Nitish Kumar son political entry)। এক-দু’দিনের মধ্যেই দল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবে (JD(U) announcement Nishant role)। বহু বছর ধরেই দলীয় কর্মীরা তাঁর রাজনীতিতে আসার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। হোলির আগে এই সিদ্ধান্তে কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে।”
‘বড় দায়িত্ব’ পেতে চলেছেন নিশান্ত
মন্ত্রী শরওয়ান কুমার আরও জানান, নিশান্তকে দলে “বড় দায়িত্ব” দেওয়া হবে। তবে ঠিক কোন দায়িত্ব, তা এক-দু’দিনের মধ্যেই স্থির হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিশান্তকে রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে কি না - এই প্রশ্নে শরওয়ান কুমারের জবাব, “সবই সম্ভব।”
গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিহার মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাচ্ছেন শরওয়ান কুমার। রাজনৈতিক মহলে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ফলে তাঁর মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দেখছে পর্যবেক্ষক মহল।
বিহারের রাজনৈতিক পরিবারগুলিতে যেখানে সন্তানদের উত্তরসূরি হিসেবে গড়ে তোলা প্রায় নিয়ম, সেখানেই ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য হতেন নিশান্ত কুমার (Nitish Kumar son Nishant Kumar)। গতবছর বিহারের বিধানসভা ভোটে জিতে নীতীশ যখন মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন, তখন সাংবাদিকদের প্রশ্ন নিশান্তকে ঘিরে ধরে, তাহলে এবার কি তাঁর রাজনীতিতে প্রবেশের কোনও ভাবনা আছে? সেবার নিশান্ত কেবল হেসে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। যার অর্থ তখন বোঝা না গেলেও, সময়ই তার উত্তর দিল বটে।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নিশান্ত মেসরা–র (BIT Birla Institute of Technology) থেকে পড়াশোনা করেছেন।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
বিহারের রাজনীতিতে জেডিইউ দীর্ঘদিন ধরেই নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে চলছে। এবার তাঁর ছেলের সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। বিশেষ করে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতির অঙ্কে এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।