১৯৭৬ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের একজন আইপিএস আর এন রবি। একটা সময় তিনি ভারতের ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নাগা শান্তি আলোচনায় (সেপ্টেম্বর ২০১৪ থেকে মার্চ ২০২২ পর্যন্ত) ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।

বাংলায় দায়িত্বে আর এন রবি
শেষ আপডেট: 5 March 2026 23:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দেন সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। কিছুক্ষণের মধ্যে জানা যায়, বাংলার অস্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তামিলনাড়ুর বর্তমান রাজ্যপাল (Tamilnadu Governor) তথা প্রাক্তন আইপিএস আর এন রবি (R N Rabi)। তবে শুধু এরাজ্য নয়, একইদিনে ৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজ্যপাল ও লেঃ গভর্নর বদল করা হয়েছে।
বাংলার নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি কে
দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি কেন্দ্রীয় মহলে পরিচিত এক মুখ আর এন রবি। তাঁর পুরো নাম - রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, জন্ম ৩ এপ্রিল ১৯৫২। ২০২১ সাল থেকে তামিলনাড়ুর ১৫তম এবং বর্তমান রাজ্যপাল তিনি।
এর আগে তিনি নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল (২০১৯–২০২১) ছিলেন এবং মেঘালয়ের রাজ্যপাল (অতিরিক্ত দায়িত্বে) (২০১৯–২০২০) হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন রবি।
১৯৭৬ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের একজন আইপিএস আর এন রবি। একটা সময় তিনি ভারতের ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নাগা শান্তি আলোচনায় (সেপ্টেম্বর ২০১৪ থেকে মার্চ ২০২২ পর্যন্ত) ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।
সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগে শোরগোল
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন দোরগোড়ায়। এদিকে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ২০ মাস আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন আনন্দ বোস। যা রাজ্য-রাজনীতিতে জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁর এই আকস্মিক পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করেছে রাজভবন সূত্র। দিল্লিতে থাকাকালীনই রাষ্ট্রপতি ভবনে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ইতিমধ্যেই তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর বাংলার মসনদে বসেছিলেন প্রাক্তন আমলা সিভি আনন্দ বোস। প্রশাসনিক নিয়মে তাঁর মেয়াদ ছিল ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু সেই সময়সীমা ছোঁয়ার ঢের আগেই কেন তিনি সরলেন (WB Governor Resigned), তা নিয়ে দিল্লির রাজনৈতিক আলোচনা তুঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে এই পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।