Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিত

মেডিক্যালে ভর্তি হয়ে গেল 'এক মুখ' দু’বার! পাঁচ বছর পর স্ক্যাম ধরা পড়তেই গ্রেফতার দুই পড়ুয়া

 দু’জনের অ্যাডমিশন ফর্মেই রয়েছে একই ব্যক্তির ছবি, একই নীল-চেক শার্টে।

মেডিক্যালে ভর্তি হয়ে গেল 'এক মুখ' দু’বার! পাঁচ বছর পর স্ক্যাম ধরা পড়তেই গ্রেফতার দুই পড়ুয়া

শেষ আপডেট: 6 June 2025 20:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজস্থানে (Rajasthan) ঘটে যাওয়া এক নিট জালিয়াতির (NEET scam) ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ ও শিক্ষা মহল। দুই ভাই, যাদের একজন এখন AIIMS যোধপুরের ছাত্র, আরেকজন পড়ছে ভরতপুর মেডিক্যাল কলেজে- তাদের ভর্তির প্রক্রিয়ায় পাওয়া গেছে এক চাঞ্চল্যকর মিল। দু’জনের অ্যাডমিশন ফর্মেই রয়েছে একই ব্যক্তির ছবি, একই নীল-চেক শার্টে।

২০২০ সালের নিট পরীক্ষায় সচিন গোরা নামের এক পরীক্ষার্থী ৬৬৭ নম্বর পেয়ে AIIMS যোধপুরে ভর্তি হন। এর ঠিক এক বছর আগে, ২০১৯ সালে, অজিত গোরা নামের এক যুবক ৫৭৮ নম্বর পেয়ে ভর্তি হন ভরতপুর মেডিক্যাল কলেজে। দুই ভাইয়ের ফলাফল আলাদা, নাম আলাদা, কিন্তু ছবি হুবহু এক।

রাজস্থান পুলিশের (Rajasthan Police) স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমের (SIT) কাছে মে মাসে একটি লিখিত অভিযোগ আসে। দাবি করা হয়, বর্তমানে AIIMS যোধপুরের পড়ুয়া সচিন আসলে নিজে পরীক্ষা দেননি, তার হয়ে পরীক্ষা দিয়েছে তার ভাই অজিত। অভিযোগটি জানিয়েছেন স্থানীয় এক ব্যক্তি, ভিনওয়ারাম গৌরা, যিনি এই দুই ভাইকেই চেনেন।

SIT-এর তদন্ত শেষে বিষয়টি হস্তান্তর করা হয়েছে জয়পুর সিটি পুলিশের হাতে। সচিনকে তার AIIMS এর হোস্টেল থেকে বুধবার গভীর রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

দু’জনের বিরুদ্ধেই প্রতারণা, কাগজপত্র সংক্রান্ত জালিয়াতি, ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ছাড়া রাজ্য সরকারের তরফে পাশ হওয়া একটি বিশেষ আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, যা পরীক্ষায় অসৎ উপায় প্রতিরোধের জন্য আনা হয়েছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে। একজনের একটাই ছবি কীভাবে পরপর দু’বছর ব্যবহার হল? মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে যেখানে সর্বোচ্চ মানের সততার প্রয়োজন, সেখানে এই রকম ঘটনা কীভাবে চোখ এড়িয়ে গেল? তাছাড়া সব থেকে বড় কথা, শুধু কি এই দুই ভাই, নাকি এর পেছনে রয়েছে বড় কোনও চক্র?

অভিযোগকারীর আইনজীবী দাবি করেন, শুধু দুই পরীক্ষার্থীকে ধরাই যথেষ্ট নয়, এই জালিয়াতির সঙ্গে আর কারা জড়িত তা খুঁজে বার করাও জরুরি।


```