Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

'খুব চাপে আছি, পারলাম না', চিঠিতে বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে আত্মহত্যা NEET পরীক্ষার্থীর

পড়াশোনার চাপ, ব্যর্থতার ভয়, বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে না পারার অপরাধবোধ - সব মিলিয়ে আত্মহত্যার রাস্তায় বেছে নিল ২১ বছরের তরুণ। 

'খুব চাপে আছি, পারলাম না', চিঠিতে বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে আত্মহত্যা NEET পরীক্ষার্থীর

মহাম্মদ আন

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 8 November 2025 13:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তার কঠিন মানসিক লড়াইয়ের সাক্ষী একটা সুইসাইড নোট (suicide note)। তাতে লেখা - 'আমাকে ক্ষমা করে দিও'। নিটের (NEET) পড়াশোনার চাপ, ব্যর্থতার ভয়, বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে না পারার অপরাধবোধ - সব মিলিয়ে আত্মহত্যার রাস্তাই বেছে নিল ২১ বছরের মহাম্মদ আন। শুক্রবার এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশের কানপুর (Uttar Pradesh Kanpur)।

ডাক্তার হতেই হবে, তাই ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (NEET) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল আন। রামপুরের বাসিন্দা মহাম্মদ চারদিন আগেই কানপুরের রাওয়াতপুরে এক হস্টেলে ওঠে পড়াশোনার সুবিধার জন্য। তার সঙ্গে একই ঘরে থাকত বন্ধু ইমদাদ হাসান।

জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন অর্থাৎ, শুক্রবার বিকেলে ইমদাদ নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় আনকে ডেকেছিল। কিন্তু আন যেতে রাজি হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যে যখন ইমদাদ ফিরে আসে, দেখে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। বহুবার ডাকাডাকির পরেও কোনও সাড়া পায়নি সে। তখন পুলিশকে খবর দেয় ইমদাদ।

পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে এবং দেখতে পায়, সিলিং ফ্যানে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে মহাম্মদ আন-এর নিথর দেহ।

ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট-ও উদ্ধার হয়েছে। তাতে লেখা ছিল, “মা-বাবা, আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি খুব চাপের মধ্যে আছি। তোমাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারব না হয়তো। তাই নিজেই নিজের জীবন নিতে বাধ্য হলাম। এর দায় সম্পূর্ণ আমার।”

পুলিশ সূত্রে খবর, আনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদেরও ইতিমধ্যে খবর দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই তরুণ মাত্র চারদিন আগেই ওই হস্টেলে উঠেছিল এবং সে একা পড়াশোনা করছিল। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, পড়াশোনার চাপ ও ভবিষ্যতের উদ্বেগই এই চরম সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিয়েছে তাকে।

সেপ্টেম্বর মাসেই আরও একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যেখানে বাবা-মায়ের স্বপ্নপূরণ করার চেয়ে নিজের জীবন কেড়ে নেওয়াই সহজ পথ হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন ১৯ বছরের অনুরাগ অনিল বোরকার। নিট পরীক্ষায় প্রায় সর্বোচ্চ সাফল্য পেয়েও চিকিৎসক হতে চাইছিলেন না তিনি। তাই আত্মহত্যার আগে চিরকুটে লিখে যান কিশোর।

মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে যাওয়ার দিন, গন্তব্যের পথে রওনা হওয়ার দিন সকালে বাড়িতেই ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন অনুরাগ। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি।

স্থানীয় মানুষের দাবি ছিল, ছোট থেকেই অনুরাগ মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তবে পরিবারের নির্দেশ অনুযায়ী পড়াশোনার চাপ সামলাতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে ভুগছিলেন তিনি। তাঁর নিজের ডাক্তারি পড়ার কোনও ইচ্ছে ছিল না। তাই পরিবারের ইচ্ছেতেই মেডিক্যালে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি চলছিল বলে তাঁদের ধারণা।


```