CREA-এর তথ্য বলছে, জানুয়ারি জুড়ে গাজিয়াবাদে বাতাসে PM2.5 কণিকার গড় মাত্রা ছিল প্রতি ঘনমিটারে ১৮৪ মাইক্রোগ্রাম। দিল্লিতে সেই গড় ১৬৯। অথচ দেশে এই কণিকার নিরাপদ সীমা মাত্র ৬০ মাইক্রোগ্রাম। অর্থাৎ রাজধানী ও সংলগ্ন শহরগুলির বাতাস ছিল স্বাভাবিকের তিন গুণেরও বেশি দূষিত।
গাজিয়াবাদ ও দিল্লির পাশাপাশি দূষণের তালিকায় রয়েছে নয়ডা, গুরুগ্রাম এবং গ্রেটার নয়ডা। জানুয়ারির বেশির ভাগ দিনেই এই শহরগুলিতে বায়ুর মান ছিল ‘খুব খারাপ’ থেকে ‘অত্যন্ত খারাপ’ পর্যায়ে। সকালে ঘন ধোঁয়াশা, চোখ জ্বালা, গলা শুকিয়ে আসা এবং শ্বাস নিতে অসুবিধা—এসব যেন নিত্যদিনের সঙ্গী!
বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালের ঠান্ডা আবহাওয়া, বাড়তে থাকা গাড়ির সংখ্যা, চলমান নির্মাণকাজের ধুলো এবং শিল্প দূষণ—সব মিলিয়েই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। শুধু কয়েক দিনের সমস্যা নয়, দূষণ এখন দিল্লি-এনসিআরের দীর্ঘদিনের রোগ।
চিকিৎসকেরা সতর্ক করে বলছেন, শিশু, বয়স্ক ও হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের রোগীদের বাড়তি সাবধানতা জরুরি। অকারণে বাইরে না বেরোনো, মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে। কাণ, দিল্লি-এনসিআরে শ্বাস নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।