Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

১১ বছর পর মায়ের খুনি শাস্তি পেল, সাক্ষী ১৪ বছরের মেয়ে! অভিযুক্তকে আজীবন কারাদণ্ড দিল আদালত

বিচারক বলেন, 'শিশুসাক্ষীর বয়ানে সত্যতার ছাপ রয়েছে। সে যদি সত্য কথা বলার যোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হয়, তাহলে আদালত তার সাক্ষ্য নাকচ করার কোনও কারণ দেখতে পায় না।’

১১ বছর পর মায়ের খুনি শাস্তি পেল, সাক্ষী ১৪ বছরের মেয়ে! অভিযুক্তকে আজীবন কারাদণ্ড দিল আদালত

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 21 May 2025 19:57

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১১ বছর পর অবশেষে শাস্তি পেল খুনি। নেপথ্যে মৃতার ১৪ বছর বয়সি মেয়ের সাক্ষ্য। বৃহস্পতিবার শুনানির পর ওই ঘটনায় মেয়ের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে, মুম্বইয়ের অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারক অভিযুক্ত বছর ৩৪-এর ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে। খুন ও ডাকাতির অপরাধে আজীবন কারাদণ্ডের শাস্তিও ঘোষণা হয়।

২০১৪ সালের ১১ নভেম্বর, মুম্বইয়ের মালাড এলাকার একটি বহুতলে নৃশংস এক খুনের ঘটনা ঘটে। যিনি খুন হন, সেই শাগুফতা খান ছিলেন এক জুয়াড়ি সোনু জালান-এর স্ত্রী। শাগুফতাকে খুনের পর প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার হিরে ও সোনার গয়না নিয়ে পালায় অভিযুক্ত। সেই ঘটনায় অরবিন্দ গুপ্তা ওরফে গুড্ডু-কে খুন, ডাকাতি, জোর করে বাড়িতে প্রবেশ এবং খুনের চেষ্টা—এই চারটি ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ঘটনার সময় শাগুফতার কিশোরী মেয়ে গুড্ডুকে বাড়িতে দেখতে পায় এবং সেই বর্ণনার ভিত্তিতেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।

কী ঘটেছিল সেদিন? ঘটনার দিন রিয়া আর তার ছোট বোন জিয়া বিকেল ৩:৩০ নাগাদ স্কুল থেকে ফেরে। কোর্টে রিয়া জানায়, তাদের ছ’তলার সিকিউরিটি দরজার পাশাপাশি সদর দরজাও খোলা ছিল। হল থেকে মায়ের শোয়ার ঘর পর্যন্ত রক্তের দাগ দেখতে পায় সে।

রিয়া জানায়, ঘরের ভিতর থেকে এক পুরুষ কণ্ঠস্বর শুনতে পায় সে। তার গলা শুনে অভিযুক্ত ব্যক্তি দরজা খুলে বেরিয়ে আসে। মেয়েটি তাকে চিনত কারণ, সে তার মায়ের এক মোবাইল সেটের টাকা নিতে আগেও বাড়িতে এসেছিল। অভিযুক্ত রিয়ার ওপরও হামলা চালানোর চেষ্টা করে, কোনওরকমে পালিয়ে বাঁচে সে। পরে ছুরি টিভির সামনে ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।

মেয়েটি পরে মায়ের ঘরে গিয়ে রিয়া দেখে- মা রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন, গলার কাটা দাগ স্পষ্ট। আলমারি খোলা এবং গয়নার বাক্স খালি। মায়ের ফোন থেকে সে বাড়ির ড্রাইভার ও বিদেশে থাকা বাবাকে ফোন করে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। অভিযুক্তকে দু’দিন পর কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ছোট বোন জিয়াও বাড়ি থেকে পালিয়ে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিল।

আদালতে অভিযুক্তের আইনজীবী বলেন, মেয়েটির সাক্ষ্য ঠিকভাবে রেকর্ড করা হয়নি এবং হয়তো তাকে শেখানো হয়েছে। কিন্তু বিচারক বলেন, ‘এই শিশুসাক্ষীর বয়ানে সত্যতার ছাপ রয়েছে। সে যদি সত্য কথা বলার যোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হয়, তাহলে আদালত তার সাক্ষ্য নাকচ করার কোনও কারণ দেখতে পায় না।’ সোনু জালানও আদালতে সাক্ষ্য দেন এবং জানান কীভাবে মেয়ের কাছ থেকে ফোন পেয়েছিলেন।

আদালত আরও জানায়, ফরেনসিক রিপোর্টে শাগুফতার দেহে ১৩টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় অভিযুক্ত ওই বহুতলে ঢুকছে ও ব্যাগ হাতে বেরোচ্ছে। অভিযুক্ত দাবি করে, সে খুন করার চেষ্টা করেনি। কিন্তু আদালত স্পষ্ট জানায়, তার উদ্দেশ্যই ছিল খুন করা।

সব প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত অভিযুক্ত অরবিন্দ গুপ্তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং তাকে আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে।


```