থাইল্যান্ড ফেরত এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ১৬টি জীবন্ত সাপ মুম্বই কাস্টমস উদ্ধার করল। এই মাসে এ নিয়ে তৃতীয় বার ধরা পড়ল এমন চোরাচালান।

প্রতীকি ছবি।
শেষ আপডেট: 30 June 2025 12:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: থাইল্যান্ড থেকে মুম্বইয়ে ফেরা এক বিমানযাত্রীর ব্যাগ খুলতেই চোখ কপালে উঠল কাস্টমস অফিসারদের। কারণ ব্যাগের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল একের পর এক জীবন্ত সাপ!
মুম্বই কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ওই যাত্রী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ১৬টি জীবন্ত সাপ এনেছিল। রবিবার এই ঘটনায় যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এবং ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস বিভাগ।
উদ্ধার হওয়া সাপগুলোর মধ্যে রয়েছে এমন কিছু প্রজাতি, যেগুলি সাধারণত পোষ্য প্রাণী হিসেবে পেট ট্রেডে বিক্রি হয় সে দেশে। বেশিরভাগ সাপই বিষহীন বা মানুষের জন্য বিশেষ বিপজ্জনক নয় বলেই জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া সাপগুলোর মধ্যে ছিল গার্টার স্নেক, একটি রাইনো র্যাট স্নেক এবং কেনিয়ান স্যান্ড বোয়া প্রজাতির সাপ।

প্রসঙ্গত, এই মাসে এটি এমন তৃতীয় ঘটনা। জুনের শুরুতে থাইল্যান্ড ফেরত আর এক যাত্রীকে আটক করা হয়, যার ব্যাগে ছিল বহু বিষধর ভাইপার সাপ। কয়েক দিন পরে আরেকজন যাত্রীর কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ১০০টি প্রাণী, যার মধ্যে ছিল গিরগিটি, সানবার্ড পাখি এবং গাছে চড়তে পারা পসাম (possum)-এর মতো ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী।
বন্যপ্রাণী চোরাচালান মোকাবিলা সংস্থা ট্রাফিক জানিয়েছে, এই ধরনের চোরাচালান দিন দিন বেড়ে চলেছে এবং তা 'অত্যন্ত উদ্বেগজনক'। তারা জানায়, গত সাড়ে তিন বছরে থাইল্যান্ড-ভারত বিমানপথ ধরে ৭,০০০-রও বেশি জীবন্ত ও মৃত প্রাণী আটক করা হয়েছে, যেগুলির বেশিরভাগই ছিল এক্সোটিক পেট ট্রেডের লক্ষ্যেই আনা।
এই ঘটনার পর ফের একবার বিদেশ থেকে বন্যপ্রাণী আনা-নেওয়া করার বেআইনি বাণিজ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে কাস্টমসের কড়া নজরদারিও প্রশংসনীয়।