Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

ভিড়ের চাপে পড়ে মৃত্যু, ১৯ বছর পর পুত্রহারা বাবাকে ৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ রেলকে

১৯ বছর পর স্বস্তির শ্বাস। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট রেল কর্তৃপক্ষকে ২০০৬ সালে একটি ভিড়ে ঠাসা ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় মৃতের পরিবারকে ৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলেছে।

ভিড়ের চাপে পড়ে মৃত্যু, ১৯ বছর পর পুত্রহারা বাবাকে ৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ রেলকে

বৈধ টিকিটধারী যাত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা রেলের কাজ ও কর্তব্য।

শুভেন্দু ঘোষ

শেষ আপডেট: 6 November 2025 17:03

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯ বছর পর স্বস্তির শ্বাস। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট রেল কর্তৃপক্ষকে ২০০৬ সালে একটি ভিড়ে ঠাসা ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় মৃতের পরিবারকে ৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলেছে। রেলকে এই মৃত্যুর পিছনে অবহেলাকে দায়ী করেছে। আদালত আরও বলেছে, আইনত টিকিটধারী যাত্রীর জীবনে অনাবশ্যক বিপদ ডেকে আনে টিকিটহীন যাত্রীরা। এর জন্য পুরোপুরি রেল কর্তৃপক্ষ দায়ী। কারণ তারা টিকিটহীন যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করতে সম্পূর্ণত ব্যর্থ হয়েছিল।

আদালতের কথায়, বৈধ টিকিটধারী যাত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা রেলের কাজ ও কর্তব্য। শুধু তাই নয়, বৈধ টিকিটধারী যাত্রীর উপর নজর রাখাও তাদের কাজ। এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র গাফিলতিকে মানা যায় না। বিশেষত যদি তার জন্য কোনও নিরীহ ব্যক্তিকে প্রাণ দিয়ে মূল্য চোকাতে হয়।

মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি হিমাংশু জোশি রেলের যুক্তি খারিজ করে দেন। রেল আদালতে বলেছিল, মৃত গুরমিত সিং বৈধ যাত্রী ছিলেন না। তার জবাবে আদালত বলে, কারও টিকিট মেলেনি মানে এই নয় যে, তাঁর কাছে টিকিট ছিলই না। তিনি অবৈধ যাত্রী ছিলেন। প্রসঙ্গত গুরমিতের বাবা বিজয় সিং গৌর রেলওয়ে ক্লেমস ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্টে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করেছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ভোপালের রেলওয়ে ক্লেম ট্রাইব্যুনাল ২০১১ সালে তাঁর আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পুত্রহারা বাবা। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালের নভেম্বরে গুরমিত দুর্গে যাচ্ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ট্রেনে প্রবল ভিড় এবং ঝাঁকুনির ফলে তিনি চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান এবং তাঁর মৃত্যু হয়।

টিকিটহীন যাত্রী সম্পর্কে আদালত বলে, কেউ টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠবে কেন। রেল কর্তৃপক্ষের উচিত অবৈধ যাত্রীদের ভ্রমণে বাধা দেওয়া। ফলে এক্ষেত্রেও রেলের কর্তব্যে গাফিলতির প্রমাণ মেলে। তাদের কাজই হল, ট্রেনে যাতে টিকিট ছাড়া কেউ ভ্রমণ না করতে পারে। যেহেতু রেল হল জনসেবামূলক কাজ এবং সরকারের সম্পত্তি, সেহেতু রেল কর্তৃপক্ষের বিধিবদ্ধ ও সাংবিধানিক কর্তব্য হল যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা। 


```