তিয়ানজিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের বৈঠকে সীমান্ত শান্তি, ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও বিশ্ব কল্যাণের বার্তা জোরালোভাবে তুলে ধরা হল।

নরেন্দ্র মোদী এবং শি জিনপিং
শেষ আপডেট: 31 August 2025 12:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার চিনের তিয়ানজিন শহরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের মধ্যে অনুষ্ঠিত হল এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক, সীমান্তের শান্তি এবং ভবিষ্যতের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। বৈঠকের দু’মিনিট পাঁচ সেকেন্ডের একটি ভিডিও নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন মোদী, যেখানে দেখা যায় তিনি হিন্দিতে বক্তব্য পেশ করছেন এবং পরে তা স্থানীয় ভাষায় অনুবাদ করা হচ্ছে।
মোদী বৈঠকের সূচনাতেই শি জিনপিঙকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “গত বছর কাজ়ানে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছিল। তার ফলে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা আবার শুরু হয়েছে, সরাসরি বিমান পরিষেবাও চালু হয়েছে।” এরপর তিনি যোগ করেন, “ভারত-চিন সম্পর্কের উপর দুই দেশের ২০৮ কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। এই সম্পর্কের উন্নতি হলে বিশ্বের কল্যাণ নিশ্চিত হবে। পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান এবং সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে আমরা সম্পর্ক আরও গভীর করতে চাই।”
শি জিনপিঙও সমান গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্কের বার্তা দেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী, আবার দেখা হয়ে ভাল লাগছে। পৃথিবী পরিবর্তনের পথে এগোচ্ছে। চিন ও ভারত দুই সভ্য এবং জনবহুল দেশ। প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের একসঙ্গে এগোনো দরকার। ড্রাগন ও হাতি একজোট হলে তা গোটা বিশ্বের জন্য মঙ্গলজনক হবে।”
Sharing my remarks during meeting with President Xi Jinping. https://t.co/pw1OAMBWdc
— Narendra Modi (@narendramodi) August 31, 2025
প্রায় সাত বছর পরে চিন সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। শেষবার শি জিনপিঙের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল ১০ মাস আগে। আমেরিকার শুল্ক নীতির চাপের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। এ বছরের এসসিও প্লাস সম্মেলনে মোট ২০টি দেশ অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে এসসিও ব্লকের ১০টি দেশ, চিন, ভারত, ইরান, কাজ়াখস্তান, কিরগিস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, বেলারুশ এবং উজ়বেকিস্তানও রয়েছে।