
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 11 July 2024 10:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তাঁর পয়লা দিল্লি সফরেই বাজিমাত করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। মোদী সরকার ওই রাজ্যের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ মঞ্জর করেছে বলে খবর। অন্ধ্রে সরকারি সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন একটি তৈল শোধনাগার ও কেমিক্যাল হাব তৈরি করবে। সংস্থার চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের পর তেলুগু দেশম পার্টির প্রধান তথা মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু বলেছেন, গত সপ্তাহে আমার দিল্লি সফর সফল। কেন্দ্র অন্ধ্রের জন্য ৬০ হাজার কোটির প্যাকেজ মঞ্জর করেছে।
চন্দ্রবাবুর ঘোষণার পরই বিহারে বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। নীতীশ কবে দিল্লি গিয়ে রাজ্যের দাবি আদায় করে আনবেন সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী নেতারা। চাপে পড়েছে বিজেপিও। বিহার সরকারের দাবি, রাজ্যে সাতটি মেডিক্যাল কলেজ, দুশো মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং ২০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা এবং রাজ্যকে আর্থিকভাবে দুর্বল রাজ্য ঘোষণা করে বিশেষ সহায়তা প্রদান করতে হবে কেন্দ্রকে।
গত সপ্তাহে দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন চন্দ্রবাবু। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই বলে থাকেন, দিল্লিতে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন রাজ্যের দাবি আদায়ে চন্দ্রবাবুর জুড়ি মেলা ভার। অতীতে, অটল বিহারী বাজপেয়ী, মনমোহন সিং সরকারের সময়ও দিল্লি থেকে কখনও খালি হাতে ফেরেননি টিডিপি নেতা।
এবার মোদী সরকারের অস্তিত্ব রক্ষায় দুটি খুঁটির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে টিডিপি ও জেডিইউ। দুই দলের সাংসদ সংখ্যা যথাক্রমে ১৬ ও ১৭ জন। এই দুই শরিক বেঁকে বসলে মোদী সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
ঘটনা হল, দিল্লি থেকে দাবি আদায়ে চন্দ্রবাবুর তুলনায় নীতীশের দায় বেশি। গত বছর ফের বিজেপির হাত ধরে সরকার গড়ার সময় রাজ্যের স্বার্থ রক্ষা আর দাবি আদায়ের কথাই বারে বারে বলেছেন নীতীশ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্যের প্রকল্প আদায়ে সমস্যা না হলেও বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা পাওয়া কঠিন হতে পারে। কারণ, বর্তমান ব্যবস্থায় উত্তর পূর্ব বাদে দেশের অন্যত্র কোনও রাজ্যকে ওই সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।