এফআইআর অনুযায়ী, গত ১১ জানুয়ারি প্রসাদ নগর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। প্রতিদিনের মতো ওই দিনও ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে ফুল বিক্রি করছিল কিশোরী। সেই সময় একটি ই-রিক্সা দাঁড়ায়।

প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 23 January 2026 11:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজধানী দিল্লির (Delhi) বুকে ফের নৃশংসতার অভিযোগ। ট্রাফিক সিগন্যালে (Traffic Signal) গোলাপ ফুল বিক্রি করা ১১ বছরের এক কিশোরীকে (Minor girl) অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক ই-রিক্সাচালকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অচৈতন্য অবস্থায় কিশোরীকে জঙ্গল এলাকায় ফেলে রেখে পালানোর অভিযোগ। পুলিশের এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতে কড়া প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে জনমানসে। এ ব্যাপারে মোদী-শাহকে (Narendra Modi, Amit Shah) নিশানা করে টুইট করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।
Delhi holds on to its dubious distinction as the RAPE CAPITAL of India. In a harrowing echo of the Nirbhaya tragedy, an innocent 11-year-old girl, eking out a living by selling roses at traffic signals, was abducted, raped, and abandoned in an unconscious state in a forested…
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) January 22, 2026
বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করে অভিষেক লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পরিবর্তনের কথা বলেন। পরিবর্তন শুরু হওয়া উচিত বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকেই। যে সরকার মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, তাদের বাংলায় এসে ভোট চাওয়ার অধিকার নেই।”
এফআইআর অনুযায়ী, গত ১১ জানুয়ারি প্রসাদ নগর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। প্রতিদিনের মতো ওই দিনও ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে ফুল বিক্রি করছিল কিশোরী। সেই সময় একটি ই-রিক্সা দাঁড়ায়। চালক কিশোরীকে রিক্সায় বসতে বলে এবং জানায়, এমন জায়গায় নিয়ে যাবে যেখানে সব ফুল বিক্রি হয়ে যাবে। অভিযোগ, সেই কথায় ভরসা করেই রিক্সায় ওঠে কিশোরী।
এফআইআরে উল্লেখ, এরপর অভিযুক্ত কিশোরীকে একটি নির্জন জঙ্গল এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। শারীরিক অত্যাচারে কিশোরী সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ভেবে নেয় সে মারা গিয়েছে। সেখানেই তাকে ফেলে রেখে পালায় সে।
কিছুক্ষণ পরে জ্ঞান ফিরলে কোনওমতে পরিবারের কাছে পৌঁছয় কিশোরী। পরিবারের তরফে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার অধীনে অপহরণ ও ধর্ষণের ধারায় এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, শেষ যেখানে কিশোরীকে দেখা গিয়েছিল, সেই এলাকা সংলগ্ন ১৫টি রুটের ৩০০-রও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। সেখান থেকেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা এখনও গভীর মানসিক ধাক্কায় রয়েছে। তদন্ত চলছে।