গুজরাতের (Gujarat) আমদাবাদ (Ahmedabad) শহরের চন্দোলা এলাকায় মেগা উচ্ছেদ অভিযান (demolition operation) শুরু করেছে পুলিশ ও স্থানীয় পুর-প্রশাসন। ৫০টি বুলডোজার হাজির করেছে পুরসভা। তিন হাজার পুলিশ কর্মীকে নামানো হয়েছে অভিযানে।

আমদাবাদে মেগা অভিযান
শেষ আপডেট: 20 May 2025 10:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গুজরাতের (Gujarat) আমদাবাদ (Ahmedabad) শহরের চন্দোলা এলাকায় মেগা উচ্ছেদ অভিযান (demolition operation) শুরু করেছে পুলিশ ও স্থানীয় পুর-প্রশাসন। ৫০টি বুলডোজার হাজির করেছে পুরসভা। তিন হাজার পুলিশ কর্মীকে নামানো হয়েছে অভিযানে।
অভিযান আটকাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সোমবার গুজরাত হাই কোর্ট (Gujrat high court) বাসিন্দাজের আর্জি খারিজ করে দেয়। আদালতের বক্তব্য, দেশের সুরক্ষার সঙ্গে আপস করার প্রশ্ন ওঠে না। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার (National Security) স্বার্থে উচ্ছেদ অভিযানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আমদাবাদের ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের সিদ্ধান্ত হয় পাকিস্তানের (Pakistan) বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) অভিযান চলার সময়। তখন স্থানীয়দের বাধায় অভিযান করা যায়নি। দিন দশ আগে আমদাবাদ পুলিশ সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা বস্তিতে অভিযান চালিয়ে ২০৭জন বাংলাদেশিকে (Bangladeshi infiltrator) আটক করে। তাদের দু’শো জনকে পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে পুশ ব্যাক করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে গুজরাত পুলিশ।
অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করার ওই অভিযানের পর তাদের আস্তানাগুলি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়। প্রায় আড়াই লাখ বর্গ মিটার এলাকায় ঘর বানিয়ে থাকছিলেন অনুপ্রবেশকারীরা। সরকারি ওই জমি পুনরুদ্ধার করতে মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে মেগা অভিযান। বাধা আসতে পারে ধরে নিয়ে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কাশ্মীরের পহেলগামের (Pahalgam, Kashmir) হত্যাকাণ্ডের পর পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার পাশাপাশি দেশ জুড়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করার কাজ নতুন উদ্যোমে শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সব রাজ্যকে তিরিশ দিনের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ জারি করেছে। গুজরাতের বিজেপি সরকার অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি তাদের আস্তানা গুড়িয়ে দেওয়ার কাজও শুরু করে দিল।