Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

Viral Swiggy Man: স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে সন্তান প্রসবের সময়, ২ বছরের মেয়েকে কোলে নিয়েই বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছচ্ছেন যুবক

গুরুগ্রামের কোনও এক কোম্পানির সিইও ময়াঙ্ক আগরওয়াল নামে ওই ব্যক্তি গোটা ঘটনা শেয়ার করেন লিঙ্কডইনে। ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল হয় দ্রুত। সেই পোস্ট থেকেই ডেলিভারি পার্সন পঙ্কজ ও তাঁর লড়াইয়ের কথা উঠে আসে।

Viral Swiggy Man: স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে সন্তান প্রসবের সময়, ২ বছরের মেয়েকে কোলে নিয়েই বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছচ্ছেন যুবক

পঙ্কজ ও তাঁর মেয়ে টুনটুন

শেষ আপডেট: 12 May 2025 15:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাবার ডেলিভারি করেছি, ঠিকানা দিয়েছি মানে দরজায় খাবার আসবে। উঠে শুধু খাবারটা নেব। তাই আমরা অনেকেই ডেলিভারি পার্সনকে নির্দিষ্ট ফ্লোরে উঠে এসে খাবার দিয়ে যেতে বলি। কেউ না দিলে রেগেও যাই। ডেলিভারি যাঁরা করেন, তাঁরাও অনেকসময় বিভিন্ন কারণে এমন নির্দেশ শুনে বিরক্ত হন। কিন্তু এই ঘটনা একদম আলাদা। ডেলিভারি পার্সনকে খাবার নির্দিষ্ট ফ্লোরে পৌঁছে দিতে বলার সময়ই একটা মিষ্টি গল্প খুঁজে পান গুরুগ্রামের এক ব্যক্তি।

গুরুগ্রামের কোনও এক কোম্পানির সিইও ময়াঙ্ক আগরওয়াল নামে ওই ব্যক্তি গোটা ঘটনা শেয়ার করেন লিঙ্কডইনে। ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল হয় দ্রুত। সেই পোস্ট থেকেই ডেলিভারি পার্সন পঙ্কজ ও তাঁর লড়াইয়ের কথা উঠে আসে।

পঙ্কজ গুরুগ্রাম চত্বরে খাবার ডেলিভারির কাজ করেন। একটি বাইক নিয়ে রোজ সকালে কাজে বেরিয়ে পড়েন। তবে, তিনি একা নন। এক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে খাবার দিতে আসেন ২ বছরের ছোট্ট টুনটুন।

মা তাকে জন্ম দিতে গিয়ে মারা গেছে, তাই বাবার কোলই একরত্তির ভরসা। সেই ভরসায় ভর করেই বাবার সঙ্গে সারাদিন এদিক ওদিক খাবার দিতে যায় সে। কেউ ফ্লো খাবার পৌঁছে দিতে বললে, পঙ্কজ মেয়েকে বাইকে বসিয়ে খাবার দিতে যান। বয়স দুই বলে কী হবে, মেয়ে তো, বাবার কষ্টটা ঠিক বোঝে। চুপটি করে বাইকে বাবা ফেরার অপেক্ষা করে। এই পুরোটাই ময়াঙ্ক নিজের চোখে দেখেছেন।

এনিয়ে তিনি পঙ্কজকে জিজ্ঞাসাও করেছেন। এই সিদ্ধান্ত কেন জানতে চাওয়ায়, পঙ্কজ একটু ভারী গলাতেই জানান, বাড়িতে টুনটুনকে দেখার মতো কেউ নেই। তাঁর আরেকটি সন্তান রয়েছে, টুনটুনের দাদা আছে কিন্তু সে ও তো ছোট। পড়া আছে, স্কুল আছে, বোনকে সে সামলাতে পারে না। আর তার অবর্তমানে টুনটুন একা থাকতেও পারে না। ফলে নিজের সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

আক্ষেপের সুরে ময়াঙ্ককে পঙ্কজ জানান, পিছনের গল্পটা না জেনে অনেকেই তাঁকে এনিয়ে কটাক্ষ করেন। আজেবাজে কথা বলেন। মেয়েকে মানুষ করা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন, বলেন, না পারলে কাজই করো না, বাড়িতে থাকো। কিন্তু এসব গায়ে মাখেন না এই ডেলিভারি পার্সন। দিব্যি হাসি মুখে লড়াই করে যাচ্ছেন। তাঁর এই লড়াইকে কুর্নিশ জানাচ্ছে নেটপাড়া।

আর তাঁর মতো মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন ময়াঙ্কের মতো কয়েকজন। যাঁরা অন্তত কটাক্ষের বদলে এমন লড়াইয়ের গল্প মানুষের সামনে তুলে ধরছেন, যাতে বাকিরাও অনুপ্রেরণা পান।   


```