মধ্যপ্রদেশের খাড়গোনে জেলায় শ্বশুরবাড়ি খুশবু পিপলিয়ার (২৩)। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বিয়ে হয়েছে তাঁর। অভিযোগ, স্বামীর পণের দাবি মেটাতে না পারায় বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁকে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে।

মধ্যপ্রদেশে বধূ নির্যাতন
শেষ আপডেট: 26 August 2025 13:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পণের টাকার জন্য স্ত্রীর ওপর নির্মম অত্যাচার (Madhya Pradesh Dowry Case )। হাত বেঁধে মারধর, যন্ত্রণায় চিৎকার করলে মুখে গরম ছুরি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। নয়ডাকাণ্ডের পর পণের দাবিতে আরও এক গৃহবধূর নির্যাতনের ঘটনা সামনে এল। এবার মধ্যপ্রদেশ।
মধ্যপ্রদেশের খাড়গোনে জেলায় শ্বশুরবাড়ি খুশবু পিপলিয়ার (২৩)। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বিয়ে হয়েছে তাঁর। অভিযোগ, স্বামীর পণের দাবি মেটাতে না পারায় বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁকে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে।
দিনের পর দিন অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়েছে। তাঁকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। ছুরি গরম করে তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছ্যাকা দেওয়া হয়। এমনকি যন্ত্রণায় ছটফট করলে তাঁর মুখেও গরম ছুরি দিয়ে ছ্যাকা দেওয়া হয়।
গত সোমবার কোনওরকমের সুযোগ পেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে পালাতে সফল হন খুশবু। এরপর বাপের বাড়িতে খবর দেন। সেখান থেকে নিজেই চলে যান হাসপাতালে।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নির্যাতিতার পরিবার অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছে।
পুলিশের কাছে দেওয়া বয়ানে খুশবু জানিয়েছেন, গত রবিবার তাঁর স্বামী তাঁকে টেনে রান্নাঘরে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর হাত-পাআ বেঁধে প্রথমে মারধর করেন। এরপর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে শরীরে ছ্যাকা দেয়।
তিনি আরও বলেন, তাঁর স্বামী বারবার বলতে থাকেন, খুশবুকে তিনি পছন্দ করেন না। পরিবারের জোরাজুরিতেই বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছেন। সেইসময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও রান্নাঘরে উপস্থিত ছিল বলে জানিয়েছেন খুশবু। রবিবার ভোররাতে সুযোগ পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান তিনি।
উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় নিক্কি ভাটির মৃত্যুতে ফুঁসে উঠেছে গোটা দেশ (Noida Dowry Death)। পণের ৩৬ লক্ষ টাকার জন্য তরুণীকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ স্বা-সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী বিপিন ও তাঁর বাবা-মা'কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।