এক দুঁদে কনেকে ধরে শ্রীঘরে পাঠাল পুলিশ। এরকম রূপসী কনেকে অবশ্য বহুদিন ধরেই পুলিশ খুঁজছিল।

সুযোগ বুঝে বরপক্ষের সর্বস্ব হাতিয়ে পালানোর নেশা ছিল।
শেষ আপডেট: 10 November 2025 16:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোনম কাপুরের ‘ডলি কি ডোলি’র প্লট থেকে উঠে আসা চরিত্র। এই সিনেমার বহু যুগ আগে সুবোধ ঘোষের গল্প অবলম্বনের তরুণ মজুমদার তৈরি করেছিলেন ‘ঠগিনী’ সিনেমা। তেমনই এক দুঁদে কনেকে ধরে শ্রীঘরে পাঠাল পুলিশ। এরকম রূপসী কনেকে অবশ্য বহুদিন ধরেই পুলিশ খুঁজছিল। কারণ তার চরকিপাকের মতো ঘুরে ঘুরে বিয়ের সাধ মেটানো এবং সুযোগ বুঝে বরপক্ষের সর্বস্ব হাতিয়ে পালানোর নেশা ছিল।
এই ঠগিনীর বা লুটেরি দুলহন-এর কাঁধে রয়েছে প্রায় ডডনখানেক বিয়ের গাঁটছড়া। মাত্র কয়েক ঘণ্টা সেই বিয়েগুলির মেয়াদ। কারণ, সবাই যখন বিয়ের আনন্দে মশগুল, তখন এই কন্যে টাকাকড়ি, গয়নাগাঁটি নিয়ে আসর থেকে উধাও হয়ে যায়। রানি কুমারীর সেই বিয়ের ধুলো ছিটিয়ে লুটের শেষ হয়েছে। লুটেরি দুলহন আপাতত পুলিশের জালে। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে তার স্বামী ও মাকেও। পুলিশ জানিয়েছে, এই গ্যাংয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল এরাও।
তাদের কাছ থেকে পুলিশ বেশ কিছু টাকাকড়ি, গয়নাগাঁটি উদ্ধার করেছে। উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলা পুলিশ জানিয়েছে, রানি কুমারী একের পর এক বিয়ে করেছে লোকের টাকা-গয়না লুট করার জন্য। রানি, তার স্বামী রবিরঞ্জন মৌর্য এবং মা মায়াকে গ্রেফতার করে তাদের অভিসন্ধির কথা জানতে পারে পুলিশ। গত ৬-৭ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশ পুলিশের যৌথ কিছু টিম একযোগে অভিযান চালিয়েছিল।
তাদের কাছ থেকে সাড়ে ৯ হাজার টাকা, সোনা, রুপোর গয়না এবং বিয়ের জামাকাপড় মিলেছে। তিনজনকে গ্রেফতার করার পর ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছ থেকে কৃষ্ণানন্দ মৌর্য নামে আরেক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ৯০ হাজার টাকা ও একটি এসইউভি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।