Accused arrested, bail granted: রবিবার দুপুরে দ্রুত গতির ল্যাম্বরগিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি ই-রিকশাকে ধাক্কা মারে। তারপর ফুটপাথে উঠে গিয়ে কয়েকজনকে আঘাত করে।

ল্যাম্বরগিনি দুর্ঘটনা
শেষ আপডেট: 12 February 2026 17:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ল্যাম্বরগিনি দুর্ঘটনার (Lamborghini accident) চারদিন পর অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় কানপুরের তামাক ব্যবসায়ীর ছেলে শিবম মিশ্রকে। কিন্তু গ্রেফতারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রমাণের অভাবে তাঁকে জামিন দিল আদালত। মাত্র ২০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে ছাড়া পান (accused granted bail) ২৪ বছরের ওই অভিযুক্ত।
গত রবিবার বিকেলে কানপুরের (Kanpur Case) ভিআইপি রোডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ল্যাম্বরগিনি ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে (hit and run arrest)। গুরুতর আহত হন একাধিকজন। ঘটনার পর থেকেই শিবমের নাম সামনে এলেও তিনি তদন্ত এড়িয়ে যাচ্ছেন- এই অভিযোগে শুরু পুলিশ তাঁর খোঁজ করে (Lamborghini accident)। এদিন তাঁকে পাঁচটি বিশেষ দল শহরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়টি হল, আদালতে পেশ করা হলে শিবম মিশ্র নিজেই নিজের আইনজীবীর ভূমিকা নেন। শুনানির সময় বিচারক পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। আদালত জানতে চায়, নোটিস দেওয়া, জিজ্ঞাসাবাদ এবং রিমান্ড চাওয়ার প্রক্রিয়া কোনও ত্রুটি ছিল কিনা।
পুলিশ শিবমকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিল (Lamborghini case)। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে জানায়, তদন্ত চলবে, তবে শিবমকে আপাতত জামিন দেওয়া হচ্ছে। কারণ, ধৃতের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রমাণ পুলিশ আদালতের কাছে পেশ করতে পারেনি।
রবিবার দুপুরে দ্রুত গতির ল্যাম্বরগিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি ই-রিকশাকে ধাক্কা মারে। তারপর ফুটপাথে উঠে গিয়ে কয়েকজনকে আঘাত করে। ই-রিকশা চালক মহম্ম তৌফিক গুরুতর আহত হয়েছিলেন, পরে তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
দুর্ঘটনার পর মোহন নামের এক ব্যক্তি দাবি করেন, শিবম অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, দুর্ঘটনা যখন ঘটে সেইসময় তিনিই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। কিন্তু পুলিশের রিপোর্টে তাঁর নাম অভিযুক্তের তালিকায় নেই। আদালতও মোহনের আত্মসমর্পণের আবেদন গ্রহণ করেনি।
পুলিশ আদালতে জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান থেকে এটা স্পষ্ট যে দুর্ঘটনার পর শিবমকে চালকের আসন থেকেই টেনে বাইরে বের করা হয়েছিল। গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
এদিকে অভিযুক্ত যুবকের পরিবার বারবার দাবি করছে, দুর্ঘটনার সময় শিবম চালকের আসনে ছিল না। এদিকে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, কিছু রেজিস্ট্রেশন প্লেট খুলে ফেলার চেষ্টা করছে, যা নিয়ে পুলিশের সন্দেহ আরও বাড়ছে।
পুলিশ এই মামলার তদন্ত চালিয়ে যাবে। জামিন পেলেও শিবমকে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তাঁকে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্রও জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।