মহারাষ্ট্রের গড়ছিরৌলিতে কিষেণজিরের ভাই, কুখ্যাত মাওবাদী নেতা বেণুগোপাল রাও ৬০ সহযোগীর সঙ্গে আত্মসমর্পণ করলেন। গত বছরই বেণুগোপালের স্ত্রী বিমলা চন্দ সিদাম বা তারাক্কা আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

ছবি - দ্য ওয়াল
শেষ আপডেট: 14 October 2025 15:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রের গড়ছিরৌলিতে সোমবার গভীর রাতে আত্মসমর্পণ করলেন সিপিআই (মাওবাদী)-র কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা তথা কিষেনজির ভাই বেণুগোপাল রাও। সঙ্গে ছিলেন তাঁর প্রায় ৬০ জন সহযোগী। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) হারাল তার পলিটব্যুরো এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে।
২০১১ সালে ঝাড়গ্রামের বুড়িশোলের জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল কিষেনজির। একসময় জঙ্গলমহল কাঁপত তাঁর নামে। সেই কিষেনজিরই ভাই বছর ৭০-এর বেণুগোপাল। গত মাসে কিষেনজির স্ত্রী আত্মসমর্পণ করেন, এবার ভাই।
১৯৮০-এর দশকে পিপল্স ওয়ার গ্রুপে যোগ দেন, ২০১০ সালে সিপিআই (মাওবাদী)-র মুখপাত্র হিসেবে নিযুক্ত হন। কিষেনজিরের মৃত্যুর পর লালগড় অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
গত বছরই বেণুগোপালের স্ত্রী বিমলা চন্দ সিদাম বা তারাক্কা আত্মসমর্পণ করেছিলেন। এবার ১০ মাসের স্বামী বেণুগোপালও আত্মসমর্পণ করলেন।
কিছুদিন আগে অবশ্য এনিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বেণুগোপাল ওরফে সোনু। একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে লিখেছিলেন, 'দলকে বাঁচাতে সশস্ত্র সংগ্রাম বন্ধ করার সময় এসেছে।'
ছত্তীসগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানার বিস্তীর্ণ এলাকায় সরকারের যৌথ বাহিনীর অভিযানের পর একের পর এক মাওবাদী আত্মসমর্পণ করছেন। এর মধ্যেই ছত্তীসগড়ের বিজাপুরে সোমবার মাওবাদীদের হাতে খুন হন বিজেপি কর্মী সত্যম। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিঠি পেয়েছে, যাতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশের জন্য যোগাযোগ রাখার দায়ে তাঁকে খুন হতে হয়েছে।
বেণুগোপালের আত্মসমর্পণ সিপিআই (মাওবাদী)-র জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।