চেকপোস্টেই কর্তব্যরত ছিলেন বন বিভাগের বিট অফিসার অরুণ পি আর। শাবকটির এই অবস্থা দেখে তিনি দ্রুত ছুটে যান ঘটনাস্থলে। শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই সিপিআর (কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন) দেওয়া শুরু করেন। কিছু সময়ের মধ্যেই স্বাভাবিক হতে শুরু করে শাবকটি। জ্ঞানও ফিরে আসে তার।

বাঁদরছানাকে বাঁচালেন বনকর্মী
শেষ আপডেট: 16 July 2025 16:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বনকর্মীর তৎপরতায় রক্ষা পেল এক বাঁদরছানার জীবন। কেরলের তিরুবনন্তপুরমের জঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল শাবকটি। সিপিআর দিয়ে প্রাণ বাঁচিয়ে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলেন বন দফতরের কর্মী অরুণ পি আর। ছোট্ট প্রাণটির জন্য সেই বনকর্মীর উপস্থিতি যেন এক অলৌকিক রক্ষাকবচ হয়ে উঠল।
জানা গিয়েছে, পোনমুড়ির সোনালি উপত্যকা চেকপোস্টের কাছে একদল বাঁদরের মধ্যে হঠাৎই ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একটি বাঁদরছানা অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের খোলা তারে হাত দিয়ে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। সেই সময় চেকপোস্টেই কর্তব্যরত ছিলেন বন বিভাগের বিট অফিসার অরুণ পি আর। শাবকটির এই অবস্থা দেখে তিনি দ্রুত ছুটে যান ঘটনাস্থলে। শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই সিপিআর (কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন) দেওয়া শুরু করেন। কিছু সময়ের মধ্যেই স্বাভাবিক হতে শুরু করে শাবকটি। জ্ঞানও ফিরে আসে তার।
এই পুরো ঘটনার সময় কাছেই অপেক্ষা করছিল বাঁদরছানাটির মা। বাচ্চাটি সুস্থ হয়ে ওঠার পর সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসে সে, জড়িয়ে ধরে নিজের সন্তানকে। এরপর দু’জন জঙ্গলের ভিতরে চলে যায়।
এই উদ্ধার অভিযান মোবাইলে ক্যামেরাবন্দি করেছেন এক পথচারি, যিনি কোট্টায়ামের বাসিন্দা। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই দেশজুড়ে প্রশংসার জোয়ারে ভেসে যাচ্ছেন বনকর্মী অরুণ।
প্রসঙ্গত, এর আগেও এমন মানবিকতা নজর কেড়েছিল। গত বছরের ২৪ মে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে প্রচণ্ড গরমে অজ্ঞান হয়ে পড়া এক বাঁদরকে সিপিআর দিয়ে বাঁচান পুলিশ অফিসার বিকাশ তোমর। উত্তেজিত বাঁদরের ঝাঁকের মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে সাহায্য করেছিলেন তিনি।